প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৫:৫৮ পিএম

দেশে চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অভ্যন্তরীণ রুটে আকাশ পথে যাত্রী কিছুটা কমেছে। তবে আন্তর্জাতিক রুটে দিন দিন বাড়ছে যাত্রী চাপ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে আকাশ পথে যাত্রী বেড়েছে ৩২ শতাংশ। অর্থাৎ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর দিয়ে ১ কোটি ৫৩ লাখ যাত্রী আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াত করেন। আগের অর্থ বছরে যাত্রী ছিলো ১ কোটি ১৫ লাখ।
প্রতিবেদন অনুসারে, এর আগের অর্থবছরের তুলনায় এ সংখ্যা ৩৮ লাখ বেড়ে ১ কোটি ৫৩ লাখে দাঁড়িয়েছে। উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের পূর্বাভাস বলছে, ২০৩২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে উড়োজাহাজ ভ্রমণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে সাড়ে ৮ শতাংশ।
এ অবস্থায় নতুন রুট বাড়াচ্ছে দেশি বিমান সংস্থাগুলো।তবে দেশের বিমান কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা না বাড়লে বেশির ভাগ মার্কেট শেয়ার চলে যাবে বিদেশী অপারেটরদের হাতে, বলছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে দেশে আকাশপথে ভ্রমণে প্রবৃদ্ধি ২ থেকে ৩ শতাংশ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজিম জানান, দেশীয় বিমান কোম্পানিগুলোও নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। এছাড়া নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বিমান। পিছিয়ে নেই বেসরকারি সংস্থাও। নতুন নতুন রুটও চালু করা হচ্ছে।
এদিকে আকাশ পথে যাত্রী বাড়লেও এখন পর্যন্ত মাত্র ২৫ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করছে দেশীয় বিমান সংস্থাগুলো। বাকি ৭৫ ভাগই বিদেশী উড়োজাহাজ কোম্পানির দখলে। এজন্য সক্ষমতা বাড়ানোয় গুরুত্ব দিচ্ছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, ‘আকাশ পথে ভ্রমণে দেশীয় বিভিন্ন সংস্থার সেবার মান এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। তবেই এই যোগোযোগ ব্যবস্থা আরো অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে সাধারণ যাত্রীদের কাছে।’
চলছে পর্যটনের ভরা মৌসুম। হরতাল-অবরোধ আর রাজনৈতিক অস্থিরতায় অভ্যন্তরীণ রুটে মানুষ বেড়াতে যাচ্ছে কম। তাই আকাশপথে নেই যাত্রীর চাপ। তবে, ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী কিছুটা কম হলেও আন্তর্জাতিক রুটে দিন দিন বাড়ছে যাত্রী চাপ।