ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে যুবদল নেতার চিকিৎসার খবর হাইকোর্টের নজরে
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ১২:০৪ পিএম

ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত এক যুবদল নেতার চিকিৎসার বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনলেন বিএনপির আইনজীবীরা।

“ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে চিকিৎসা” শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের নজরে আনেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী। 

এসময় তার সাথে ছিলেন বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

একপর্যায়ে অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী হাইকোর্টের কাছে এবিষয়ে সুয়ো মোটো আদেশ চান এবং বলেন, ‘একটা স্বাধীন দেশে এভাবে চলতে পারে না। আমরা কি দেশের থার্ড ক্লাস সিটিজেন?।’

তখন আদালত বলেন, ‘হিনিয়াস ক্রাইমের ক্ষেত্রে অপরাধীকে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়। আর এবিষয়ে হাইকোর্টের তো একাধিক সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে আমরা এবিষয়ে সুয়ো মোটো আদেশ দেবো না। আপনারা চাইলে (রিট) ফাইল করে আসতে পারেন।’

আদালত থেকে বের হয়ে বিএনপির আইনজীবীরা সাংবাদিকদের জানান, তারা ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত যুবদল নেতার বিষয়টি নিয়ে দ্রুত (রিট) ফাইল করবো।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘যশোরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুবদলের এক নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পেশায় কলেজশিক্ষক ওই যুবদল নেতা কারাগারে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। 

স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের শয্যায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। খাওয়ার সময়ও তাঁর হাতকড়া খোলা হয়নি। এমনকি স্বজনদের সঙ্গে তাঁকে দেখা করতেও দেওয়া হয়নি। যুবদলের ওই নেতার নাম আমিনুর রহমান। 

তিনি যশোর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ও সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের আমদাবাদ কলেজের প্রভাষক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডান্ডাবেড়ি পরা তাঁর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।’

‘ভুক্তভোগীর পরিবার ও কারা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশের পর আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে চারটি মামলা করে পুলিশ। ২ নভেম্বর সদর উপজেলার আমদাবাদ কলেজ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর কারাগারে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৩ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। 

এ সময়ও তাঁর পায়ের ডান্ডাবেড়ি খোলা হয়নি। এমনকি খাওয়ার সময়ও হাতকড়া খুলে দেয়নি পুলিশ। রোগীর সঙ্গে স্বজনদের ঠিকমতো দেখা করতেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।’

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft