প্রকাশ: বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩, ৬:২৯ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে বেড়েছে মশার উপদ্রব। এতে ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আরো অনেকে। তারা বলছেন, মশক নিধনে কার্যকরী পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু প্রচার-প্রচারণায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যস্ত সকলে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আবাসিক হলসহ ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মশার বিস্তার রোধে যত্রতত্র জমে থাকা পানি নিষ্কাশন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু মশক নিধন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
আজ বুধবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম সই করা একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সেখানে ব্যানার বানিয়ে ও লিফলেট বিতরণের ব্যবস্থাসহ ক্যাম্পাসে ৩-৪ জায়গায় বড় স্ট্যান্ড ব্যানার স্থাপন করে ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধির কথা বললেও মশক নিধন সম্পর্কিত কোনো তথ্য তুলে ধরেনি রাবি প্রশাসন।
মশা নিধনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যার্থতার সমালোচনা করে একজন শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ব্যানার বানায়েই শেষ। আসল কাজ কে করবে? মশাতো আর নিজে থেকে সুইসাইড করবে না।’
বিশেষ করে যারা হলে থাকেন তারা অত্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছেন। হলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কিংবা, বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবনের বর্জ্য এডিস মশার বংশবৃদ্ধির আঁতুড়ঘর।’
এ বিষয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সভায় উপস্থিত থাকা ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আজিজ আবদুর রহমান বলেন, সভায় মশক নিধনের বিষয়ে কথা হয়নি। সভাটা ছিল মূলত ডেঙ্গু সচেতনতার জন্য। আমরা সেখানে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য যে বিষয়গুলো দরকার সেই তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছি। তবে জানতে পেরেছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে ফগার মেশিন নিয়ে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, হল ও ভবনগুলোর সামনে ব্যানার, শিক্ষার্থীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণসহ ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব শিগগির ফগার মেশিন দিয়ে ক্যাম্পাসে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।