প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩, ৬:১৩ পিএম

সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকা-বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির আনুষ্ঠানিক উদযাপন করে বিশ্বব্যাংক। এতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করে সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বৈঠকে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আপনাদের কাছ থেকে ঋণ নেই এবং যথাসময়ে লাভসহ পরিশোধ করি। তাহলে ঋণ দিতে এতো শর্ত কেন? আমরা আপনাদের পার্টনার।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বব্যাংক সফরের বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন। এনইসি সম্মেলন কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এসময় উপস্থিত ছিলেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকারসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সভায়। মোট ১ হাজার ৩০৯টি প্রকল্পের অনুকূলে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, জনগণের টাকা ব্যবহারে আরও সতর্ক থাকতে হবে। এজন্য আরও কৃচ্ছ্র সাধন করতে হবে। অহেতুক বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ করতে বলেছেন তিনি।
তিনি বলেন, জনসম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়গুলোকে আরও বেশি বেশি প্রকল্প হাতে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এসব প্রকল্পে অবশ্যই ব্যয় করা হবে, তবে কোন অপচয় করা যাবে না। এছাড়া রপ্তানির জন্য আমাদের আরও নতুন নতুন জায়গা খুঁজতে হবে। বিদেশি ঋণকে ঋণ বলা হবে, সহায়তাকে সহায়তা বলা হবে। কারণ, উন্নয়ন সহযোগীরা আমাদের খুব অল্প পরিমাণে সহায়তা করে। তবে বেশিরভাগই ঋণ দেয়। এই ঋণকে আমরা সুদ-আসলসহ যথাসময়ে পরিশোধ করি। কাজেই ঋণকে ঋণ বলতে হবে এবং সহায়তাকে সহায়তা।
-জ/অ