প্রকাশ: বুধবার, ১০ মে, ২০২৩, ৩:২২ পিএম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের সগুনা ইউনিয়নে খেয়া পারাপারের নাম করে শুকনো সড়কে মাঝে রশি দিয়ে আটকিয়ে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। অবশ্য সরকারি ভাবে কোন ইজারা না দিলেও তাদের বৈধতা দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টু ।
যেখানে নেই কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা, কেবলমাত্র বিলের ধার দিয়ে বয়ে যাওয়া সড়কে হেটে যেতে হলেই গুনতে হবে টাকা। আর রাতের চিত্র হয়ে উঠে আরও ভয়াবহ। ঘটনাটি উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল হতে ধামাইচ,নওখাদা ,কাটাবাড়ী যাওয়ার সড়কে।
জানা গেছে, উপজেলার সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর কাছ থেকে ধামাইচ গ্রামের মসলিম উদ্দিন ৭ হাজার টাকা দিয়ে ইজারার নামে সড়কে পারাপারের সময় খেয়ার নামে টাকা তোলার পাশ নেন। আর সেই পাশের ভিত্তিতেই সে টাকা তুলতেছেন সারাবছর ধরে।
তাই অনেকটাই বাধ্যহয়েই জরুরি কাজে সড়কে চলা চল, কিংবা অসুস্থ রোগী নিয়ে রাস্তা পার হতে হলেই জন প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা, রিস্কা,ভ্যান মটর সাইকেল ১০ থেকে ২০ টাকা আর ভুটভুটি ও মালবাহী গাড়ী হলেতো কথাই নাই গুনতে হবে ২০ থেকে অতিরিক্ত টাকা।
আর এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে গ্রামীন জনপদের খেয়াঘাটের নামে কথিত ইজারাদারদের দাপট। কিন্তু নিরুপায় হয়ে দীর্ঘদিন ধরে খেয়ার নামে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন এলাকার নিরিহ পথচারীগণ।
নাম বলতে অনিচ্ছুক এলাকার একজন বলেন, আমাদের বিল অঞ্চলের ফসলি জমির ফসল আনা নেওয়া সহ পথ চারীদের চলাচলের জন্য শুকনো মৌসুমেও সড়কে দিতে খেওয়ার নামে টাকা। এর প্রতিবাদ করলেই চেয়ারম্যানের গরম দেখিয়ে হট্রগোল তৈরি করে। আমি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এটা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টুর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইজারার মাধ্যমে মসলিম উদ্দিনকে খেয়াঘাট টাকা তুলতে দেওয়া হয়েছে। এটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবগত রয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেজবাউল করিম বলেন, খেয়াপারের নামে সড়কে কোনোভাবেই টাকা নেওয়া যাবে না। আমি বিষয়টি দেখছি এবং এটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।