প্রকাশ: শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩, ৫:৪৩ পিএম

দেশে আগামী ২৮ মার্চ থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টি। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। দেশের বেশীর ভাগ এলাকায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বাতাসের গতি নিয়ে আপাতত কালবৈশাখী আসার আশঙ্কা কম বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী, আজ সকাল থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের হালকা বৃষ্টি হয়েছে। ওই বিভাগের প্রায় সবগুলো জেলায় আট থেকে ১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বছরের এই সময়টাতে সাধারণত দিনে প্রখর রোদ থাকে। বিকেল গড়াতেই দমকা হাওয়া ও কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। সঙ্গে এক পশলা বৃষ্টিও ঝরে। কিন্তু এ বছর আবহাওয়ার ওই ব্যাকরণ কাজ করছে না।
প্রায় প্রতিদিন সকাল থেকে সূর্য ও মেঘের মধ্যে যেন লড়াই শুরু হয়। সূর্য্যি মামা চোখ রাঙাতে না রাঙাতে মেঘ এসে তাকে ঢেকে দিচ্ছে। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিও ঝরছে। কিন্তু দমকা হাওয়া তেমন গতি না পাওয়ায় তা কালবৈশাখী ঝড়ে পরিণত হতে পারছে না।
আবহাওয়া অধিদপ্তর অবশ্য বলছে, এই মাসে কালবৈশাখী প্রবল হওয়ার সম্ভাবনা কম। দেশের কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বয়ে গেলেও তা প্রবল রূপ নিচ্ছে না। দেশের বেশীর ভাগ এলাকায় ঘন্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বাতাসের গতি নিয়ে আপাতত কালবৈশাখী আসার আশঙ্কা কম। আসছে মঙ্গলবার থেকে উল্টো বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। তীব্র কালবৈশাখী ঝড় আর বজ্রপাতের মৌসুম আসতে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, টানা তীব্র রোদ থাকলে সন্ধার পর জলীয়বাস্প বেড়ে গেলে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় তৈরি হয়। এবার এ ধরনের টানা রোদের দেখা কম পাওয়া যাচ্ছে। বরং দিনের বেলা আকাশে সামান্য মেঘ এসে রোদের তীব্রতা কমিয়ে দিচ্ছে। তবে আজ রাত পর্যন্ত বৃষ্টি ঝরতে পারে। এছাড়া আগামী ২৯ মার্চ থেকে বৃষ্টি বেড়ে এপ্রিলের শুরুতে কালবৈশাখী এবং বজ্রপাত বাড়তে পারে।
জ/আ