গাংনীতে নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ
মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৫:৪৬ পিএম

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় করমদী থেকে কালিতলা কল্যানপুর ১:৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। 

আইআরডি-৩ প্রকল্পে কার্পেটিং কাজের অনুকুলে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠার চুয়াডাঙ্গার মেসার্স আরএম ব্রিক্সকে। 

তবে নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। 

এ প্রকল্পের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাস্তার দুই পাশের কাটা মাটির মিশ্রিত বালি ব্যবহার এবং বক্স না করেই নিম্নমানের ইট, খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে রাস্তায়। 

এলাকাবাসী অনিয়মের অভিযোগের পর কাজ বন্ধ করে দেয় মেহেরপুর জেলা এলজিইডির সহকারী ইঞ্জিনিয়ার নিঝুম আফরিন। কিন্তু তিনি রাস্তায় কাজের তদারকি শেষে চলে যাওয়া পর আবার কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, গাংনী উপজেলায় উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও সংশ্লিষ্টদের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। 

প্রকল্পগুলোতে নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের ফলে কিছু দিনের মধ্যেই সেগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। জলে যাচ্ছে সরকারি টাকা। কয়েক মাস যেতে না যেতেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে এসব রাস্তা। ফলে সরকারি বরাদ্দের অবমুল্যায়নের ফলে দূর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের।

 স্থানীয় যুবক শামীম হোসেন জানান, রাস্তার কাজে অনিয়মের শেষ নেই। নিম্নমানের পিস,পাথর দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাস্তা। 

তিনি আরো বলেন, বিটুমান মেশানোর মেশিনের কালো ধোঁয়ায় আমার ১৭দিন বয়সী শিশুর শ্বাসকষ্ট সহ আশেপাশে মানুষের অনেক সমস্যা হচ্ছে। 

তেতুঁলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা বিশ্বাস জানান, আমি গত তিনদিন আগে রাস্তাটি পরিদর্শন করেছি। একদমই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি হচ্ছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে। 

গাংনী উপজেলা এলজিডির প্রকৌশলী ফয়সাল হোসেন জানান, রাস্তাটি সকালে আমি পরিদর্শন করে এসেছি। তাদেরকে ট্যাগ কোড দিতে বলা হয়েছে। তারা যদি ঠিকঠাক মত কাজ না করে তাহলে আমি কাজ বন্ধ করে দিব।

মেহেরপুর জেলা এলজিডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে জেলা এলজিডির একটি টিম পরিদর্শন করে এর সত্যতা পেয়েছে।  বিটুমিনের যে পরিমাণ তাপমাত্রা দেওয়ার কথা ছিল, তার থেকে অধিক পরিমাণ তাপমাত্রা দেওয়াই বিটুমিনগুলোকে ফেলে দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


Also News   Subject:  মেহেরপুর  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft