প্রকাশ: সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২, ৯:৪৫ পিএম আপডেট: ০১.০৮.২০২২ ৯:৫০ পিএম

কয়লা সংকটের কারণে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে কোনো সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বড়পুকুরিয় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী ওয়াজেদ আলী সরকার জানান, এই কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে একটি চালু আছে এবং তা থেকে ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা দিয়েই এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
প্রকৌশলী ওয়াজেদ আলী জানান, গত ১ মে কয়লা খনির ১৩শ’ ১০ ফেইজের কয়লা উত্তোলন শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে এ খনির কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে মজুদ কয়লা দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। এখন কয়লা স্বল্পতার কারণে তিনটির মধ্যে একটি ইউনিট চলছে।
খনি কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে নতুন কূপের ১৩’শ ৬ ফেইজে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তিন দিনের মাথায় খনি শ্রমিকদের করোনা আক্রান্ত হওয়র কারণে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রমও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ওয়াজেদ আলীর ভাষ্য, এমন পরিস্থিতিতে মজুদ কয়লাও প্রায় শেষ পর্যায়ে। দ্রুত সময়ে খনির কয়লা উত্তোলন করতে না পারলে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান একমাত্র ইউনিটও কয়লার অভাবে যে কোনো সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি জানান, ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের পুরোটাই জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হয়। ফলে এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে এর বড় একটা প্রভাব পড়বে।
-জ/আ