প্রকাশ: শুক্রবার, ২৯ জুলাই, ২০২২, ৫:৩৪ পিএম

আলিপুর মহিলা ও প্রেসিডেন্সি জেলে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার ‘বান্ধবী’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় দুই বন্দির জন্য ব্যবস্থা সেরে রেখেছে জেল কর্তৃপক্ষ। আপাতত প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন একাধিক ‘হাইপ্রোফাইল’ সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বন্দি। তবে এই অভিযুক্ত মন্ত্রীকে এসব বন্দির থেকে অনেক দূরের সেলেই রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ইডি হেফাজত শেষ হলেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার ‘বান্ধবী’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের স্থান হবে জেল হেফাজতে বলে মনে করেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভা এবং দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এখন ইডিকে আদালতে প্রমাণ দিতে হবে যে পার্থ-অর্পিতা দোষী। তা হলেই সরাসরি জেল হেফাজত হবে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেল কর্তৃপক্ষ আলিপুর মহিলা এবং প্রেসিডেন্সি জেলে ওই দুই বন্দির জন্য ব্যবস্থা সেরে রেখেছে। এখন প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন একাধিক ‘হাইপ্রোফাইল’ সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বন্দি। তবে সেসব বন্দির থেকে অনেক দূরের সেলেই দপ্তরবিহীন এই অভিযুক্ত মন্ত্রীকে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আর আলিপুর মহিলা জেলের বিশেষ সেলে রাখা হবে অর্পিতাকে।
কারা দপ্তরের সূত্র থেকে জানা যায়, পার্থ-অর্পিতাকে আলাদা জেলে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এমনকি প্রয়োজনে অর্পিতাকে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেও পাঠানো হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি সংশোধনাগারের সেল একেবারে সাফ রাখা হচ্ছে। সেখানে কোনো বিলাসবহুল ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে না। কারণ তা হলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বাইরের খাবার জেলের ভেতরে আনা যাবে না। সব বন্দি যেমন খাবার পায় একই খাবার পার্থ-অর্পিতাও পাবেন। এসময় প্রেসিডেন্সি জেলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আদালতের যদি বিশেষ কোনো নির্দেশ থাকে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষে জোকা ইএসআই থেকে পার্থকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করা হয়। তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ এবং দলের যাবতীয় পদ থেকে সাসপন্ড করার সিদ্ধান্ত ঠিক কি না তা জানতে চাইলে ইডির গাড়িতে বসেই তিনি বলেন, ‘সময় বলবে’। পার্থকে হাসপাতালের সামনের গেট দিয়ে বের করা হলেও পিছনের গেট দিয়ে বের করা হয় অর্পিতাকে। বেরোনোর সময়ও কাঁদতে দেখা গেল অর্পিতাকে।
-জ/অ