দাম বেড়েছে আদা-কাঁচামরিচের, কমেছে পেঁয়াজ-মাংসের
প্রকাশ: রোববার, ২৪ জুলাই, ২০২২, ১০:০০ পিএম

বরিশালে বেড়েছে আদা ও কাঁচামরিচের দাম। অপরদিকে দাম কমেছে পেঁয়াজ, গরুর মাংস ও ফার্মের মুরগির। উৎপাদক ও বাজারজাতকারী কোম্পানিগুলো প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ১৮৫ টাকা। যা আগে এর দাম ছিল ১৯৯ টাকা। তবে বেশিরভাগ খুচরা দোকানেই আগের দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল।

আজ রবিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে নগরীর পুরান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্য সবজির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন ৪০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, গাজর ১৫০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, চিচিঙা ৩০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পটল ২০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা ও চাল কুমড়া ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আলুর দাম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা। দেশি পেঁয়াজের কেজি ৫ টাকা কমে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ৫ টাকা কমে ভারতের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। অন্যদিকে দেশি আদা কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা, চিনা আদা ২০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন কেজিতে ৮০ টাকা, চিনা রসুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্যাকেট আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। প্যাকেট ময়দা ৬৫ টাকা ও খোলা চিনি ৮০ টাকা ও প্যাকেট চিনি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা দানার মসুর ডাল ১০০ টাকা ও ছোট দানার মসুর ডাল ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে চালের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। খুচরা বাজারে সরু মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৬৮ টাকা। ভালো মানের বিআর-২৮ চাল কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম প্রতি কেজি ২৩৫ টাকা, ব্রয়লার কেজি ১৩৫ ও কক বা লেয়ার ২৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের হালি প্রতি ৪০ টাকা।

গরুর মাংসের কেজি ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬৮০ টাকা। খাসির মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন নেই। খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায়।

বাজারে মাছের দামও বেশ চড়া। আইড় ও নদীর চিংড়ি প্রতি কেজি ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন বিক্রেতারা। বোয়াল, পাবদা কেজি প্রতি ৮০০-৯০০ টাকা। বড় রুই ও কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা। চাষের শিং মাছ প্রতি কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা, কই ২৫০-২৭০, পাঙ্গাস ১৮০-২০০ টাকা, দেশি শিং ৯৫০-১০০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর পুরান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা শরিফুল হাসান নামে ক্রেতা জানান, প্রায় সব সবজির দামই বাড়তি। এরমধ্যে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে এখন ২০০ টাকা হয়েছে। তেলের দাম কমলেও ওই দামে খুচরা বাজারে তেল মিলছে না। প্রায় সকল নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

নিউ রফিক স্টোরের মালিক রফিক আহম্মেদ বলেন, ভোজ্য তেল বাজারজাতকারী কোম্পানিগুলো নতুন দামের সয়াবিন তেল সরবরাহ না করায় আগের কেনা তেল কিছুটা বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।


-জ/অ


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭।
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175, E-mail: info@jobabdihi.com , contact@jobabdihi.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft