প্রকাশ: বুধবার, ১ জুন, ২০২২, ৬:১৮ পিএম

ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে দুপুর ২টায় ছাত্রলীগের ভিএক্স গ্রুপের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া ও হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বুধবার (১ জুন) সকাল থেকে ছাত্রলীগের একাংশ ভিএক্স গ্রুপের দুই নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধের ডাক দেয়। বন্ধ থাকে শাটল ট্রেনও। আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে সকাল থেকে ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষকদের কোনো বাস শহরে যেতে পারেনি। বন্ধ রয়েছে ক্যাম্পাসে রিকশা ও সিএনজি চলাচলও। এতে পূর্ব নির্ধারিত ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করে বিভিন্ন বিভাগ।
প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় বলেন, আমার নেতা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন আমাকে ফোন দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় তা নির্দেশনা দিয়েছেন। নাছির ভাইয়ের নির্দেশ এবং শিক্ষার্থীদের কাল্যানে আমরা অবরোধ স্থগিত করেছি। আমরা দোষীদের গ্রেপ্তার করতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি। এর মধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বাকিদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না করলে আমরা আবারও আন্দোলনে যাবো।
প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, সবকিছু এখন স্বাভাবিক। বিকেল ৪টা থেকে নির্ধারিত শিডিউলে শাটল ট্রেন চলবে। আগামীকাল থেকে যথারীতি ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩১ মে) রাত ১টার দিকে ছাত্রলীগের ভিএক্স গ্রুপের নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় ও মোহাম্মদ রাশেদকে এক নম্বর গেট থেকে মোটরসাইকেল যোগে ক্যাম্পাসে আসছিলেন। পথে মাজার গেট এলাকায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা হানিফের অনুসারী গ্রুপের ৭ থেকে ৮ জন কর্মী দেশীঅস্ত্রসহ মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাদের মারধর করে। ভাঙচুর করা হয় মোটরসাইকেলও। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে ভিএক্স গ্রুপের অনুসারীরা জিরো পয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে ক্যাম্পাস অবরুদ্ধ করে রাখে।
-জ/অ