প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২, ৩:৫৮ পিএম

দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে চলতি (২০২১-২২) অর্থবছরের গত ( জুলাই থেকে এপ্রিল) ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতিতে রয়েছে ২৮ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। শুল্কমূক্ত পণ্য বেশি আমদানি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আদায়ে বলছেন সংশ্লিষ্টরা। চালসহ অধিক শুল্কযুক্ত পণ্য বেশি বেশি আমদানি হলে লক্ষ্যমাত্রার ঘাটতি পূরণ হবে বলে বলছেন কাস্টমস কতৃপক্ষ।
হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর কতৃক চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে হিলি কাস্টমসকে ৩৮১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয় তার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা।
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা নুরুল আলম খান বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত হিলি বন্দরে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা।
তিনি বলেন, গত জুলাই মাসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, আদায় হয়েছে ৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আগস্ট মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, আদায় হয়েছে ৩৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অক্টোবর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩৯ কোটি ২ লাখ টাকা, আদায় হয়েছে ৩৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। নভেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪০ কোটি ৩২ লাখ টাকা, আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ডিসেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩০ কোটি ২৪ লাখ টাকা, আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
অন্যদিকে জানুয়ারি-২২ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩৪কোটি ১২ লাখ টাকা, আদায় হয়েছে ৪৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, আদায় ৩৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। মার্চ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা, আদায় ৩৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এপ্রিল মাসে লক্ষ্যমাত্রা ৪২ কোটি ৪১ লাখ টাকা, রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
হিলি কাস্টমসের উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বিভিন্ন পণ্য ভারত থেকে আমদানি হয়। তবে সম্প্রতি কম শুল্কের পণ্য বেশি আমদানি হবার কারনে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি। আমরা বিগত সময় গুলোতে এনবিআরের বেঁধে দেওয়া রাজস্ব আদায় টার্গেট পূরণ করেও বেশি আদায় করতে সক্ষম হয়েছি।আশা করছি বাঁকি সময়ে বেশি বেশি শুল্ক যুক্ত পণ্য আমদানি হলে রাজস্ব ঘাটতি পূরণ হবে।