
মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। আত্মবিশ্বাসও ছিল তুঙ্গে। কারণ, কারণ মিরপুরের উইকেট, কন্ডিশন সবই চেনা মুমিনুলের। মিরপুরের গ্রাউন্ড টাইগারদের নিজ ঘরের উঠান।
তবে সকালে টস জিতে বড় সংগ্রহের আশায় ব্যাট হাতে নামা বাংলাদেশ দল নেমেই লঙ্কান বোলারদের সামনে টাইগাররা উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার মিছিল ভক্তদের মনে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিলো।
মাত্র ৭ ওভারে ২৫ রান তুলেই ৫ উইকেট নাই। তবে কি প্রথম ইনিংসে দলগত সেঞ্চুরিও হবে না বাংলাদেশ।
সেই সঙ্কাময় পরিস্থিতিতে থেকে দলকে বাঁচালেন দুই অভিজ্ঞ টাইগার মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাস।
কোনো বিপদ না ঘটিয়ে ২৫ রান থেকে ১৮৫ রান পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। ২০৬ বলে করলেন শত রানের জুটি।
যেখানে লিটন দাসের অবদান ৬১ রান। বাকিটা মুশফিকের।
এ রিপোর্ট লেখার সময় ৮ বাউন্ডারিতে ১০৮ বলে ৪৭ রান করে অপরাজিত মি. ডিপেন্ডেবল। অন্যপ্রান্তে সমানসংখ্যক বাউন্ডারিতে ১০৫ বলে ৬২ রানে ব্যাট করছেন লিটন।
এ দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ৪২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২৯ রান।
এর আগে মাঠে বল গড়াতেই আউট হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।
লংকান পেসার কাসুন রাজিথার প্রথম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ব্যাট প্যাডের ফাঁক গলে বোল্ড হয়েছেন জয়। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি।
পরের ওভারেই বিদায় নেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। আসিথা ফার্নান্ডোর ওভারের চতুর্থ বলটি লেগ সাইডে খেলতে গেলে উল্টো দিকে বল উঠে যায়, জয়াবিক্রমের দুর্দান্ত ক্যাচ হন। তিনিও ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই।
ব্যর্থতার বলয় এই ইনিংসের ছিঁড়তে পারেনরি মুমিনুল হিও। আসিথা ফার্নান্দোর দ্বিতীয় শিকার তিনি। ৯ রানে আউট হলেন মুমিনুল।
ফের আঘাত হানেন রাজিথা। তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন নাজমুল হাসান শান্ত। তাকে বোল্ড করে দিলেন এ পেসার।
রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে ক্রিজের বেশ দূর থেকে করা কার বল স্টাম্প উড়িয়ে দেয় শান্তর। ১৭ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেন শান্ত।
রাজিথার পরের বলেই আউট সাকিব। তিনিও রানের খাতা খুলতেই পারেননি। রাজিথার ৩য় শিকার তিনি।
জে/ আল