প্রকাশ: সোমবার, ১৬ মে, ২০২২, ৫:৪৫ পিএম

নাটোর প্রেসক্লাব ভবনসহ অর্ধ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সোমবার(১৬ মে) সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের সম্পত্তি ও আইন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া।
নাটোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে শহরের বড় হরিশপুর বাইপাস থেকে বনবেলঘড়িয়া বাইপাস পযর্ন্ত প্রায় ৬কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ শুরু হয়। এরমধ্যে শহরের জিরো পয়েন্টের উভয় পাশে প্রায় ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সড়ক ১০০ ফুট প্রশস্ত করা হবে। এজন্যে জমি অধিগ্রহনের অর্থ পরিশোধের জন্য সাড়ে ২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
নাটোর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাপ্পী লাহিড়ী জানান, প্রেসক্লাবের ভবনের জায়গাটি আরএস রেকর্ড অনুযায়ী পৌরসভার সম্পত্তি। ২০০৭ সালে নাটোর পৌরসভার সাথে নাটোর প্রেসক্লাবের বাৎসরিক ভাড়ার চুক্তিনামায় নিজস্ব অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণ করে নাটোর প্রেসক্লাব। ২০১৯ সালে জায়গাটি নিজেদের দাবী করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ পৌরসভাকে বিবাদী করে দায়েরকৃত মামলাটি এখনো চলমান।
এই অবস্থায় ১৪ মে বিকেলে ছুটির দিনে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল্যবান আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি সড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ থেকে আমরা
বঞ্চিত হয়েছি। এসব সামগ্রী ছাড়াও আধুনিক ভবন ভেঙে আমাদের অন্তত ৪০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে।
নাটোর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন বলেন, নাটোর প্রেসক্লাব কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান নয়, সরকারের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান। সড়কের যে অংশে রাস্তা ১০০ ফুট প্রশস্ত হবে, সেই অংশে। নাটোর প্রেসক্লাবের অবস্থান নয়। ছুটির দিনে হঠাৎ নোটিশ না দিয়ে কিছুদিন সময় দিয়ে প্রেসক্লাব ভবন উচ্ছেদ করা
হলে ক্ষয়ক্ষতি পরিমান কম হতো।