প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৫ পিএম

বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা অনুযায়ী তিন স্তরের কমিটির মাধ্যমে বদলি ও পদায়নের আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি/পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’-এ এ তথ্য জানানো হয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি কলেজের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের বদলি ও পদায়নের আবেদন অঞ্চলভিত্তিক কমিটি নিষ্পত্তি করবে। সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের বদলি ও পদায়নের দায়িত্ব থাকবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের নেতৃত্বাধীন কমিটির ওপর। আর অধ্যাপক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার পদে বদলি ও পদায়নের আবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবের সভাপতিত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি নিষ্পত্তি করবে।
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকসহ কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা একই কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর দায়িত্ব পালন না করলে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। তবে গুরুতর শারীরিক, মানসিক বা পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতিতে যৌক্তিক কারণ থাকলে ব্যতিক্রম বিবেচনা করা হবে।
এ ছাড়া স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাকরিজীবী হলে একই বা নিকটবর্তী কর্মস্থলে বদলির আবেদন, অবসর-পূর্ব এক বছরে সুবিধাজনক স্থানে অগ্রাধিকারভিত্তিক পদায়ন, দূরারোগ্য ব্যাধি, পারিবারিক সমস্যা ও কর্মস্থলের দূরত্ব বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে পিডিএস তথ্য হালনাগাদ না থাকা, অসম্পূর্ণ আবেদন, বিভাগীয় মামলা বা তদন্তাধীন অভিযোগ এবং বিগত তিন বছরের অসন্তোষজনক বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) থাকলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন নীতিমালা কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে এ-সংক্রান্ত পূর্বের সব নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে।
জ/উ