শুক্রবার ৭ অক্টোবর ২০২২ ২২ আশ্বিন ১৪২৯
 

বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা, গ্রেফতার ৩, ৮ রিভলবার-গুলি উদ্ধার    আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী পণ্ড করল ছাত্রলীগ    টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা    ওয়েটার থেকে শতকোটি টাকার মালিক মুক্তার, আইনের আওতায় আনার চেষ্টায় গোয়েন্দারা    করোনায় মৃত্যু ৫, শনাক্ত ৪৯১    ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ভর্তি ২৪০    শান্তিতে নোবেল গেল বেলারুশ, ইউক্রেন ও রাশিয়ায়   
ডিমের হাফ সেঞ্চুরি পার
প্রকাশ: শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২, ১:১০ অপরাহ্ন

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই পণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। সাধারণের প্রোটিনের উৎস ডিমও ধীরে ধীরে অনেক দামি পণ্যে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের হালি দামে হাফ সেঞ্চুরি পার করেছে। হালি প্রতি মুরগির ডিম (লাল) বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫২ টাকায়। আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়।

এক সপ্তাহ আগেও ডজন প্রতি ডিম ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তা এখন ডজনে ২০-২৫ টাকা বেড়েছে। একটি ডিমের দাম পড়ছে প্রায় ১৩ টাকা।

পাইকারি বাজারে একই ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১ থেকে ১২ টাকায়। প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৪ থেকে ১৪৫ টাকায়।  

অন্যদিকে হাঁসের ডিম হালি বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। অর্থ্যাৎ প্রতি ডিমে ক্রেতাকে খরচ করতে হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকা। শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ডিমের দামের এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিক্রেতারা বলছে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও ডিমের উৎপাদন কমে গেছে। জানতে চাইলে রামপুরা বাজারের ডিম বিক্রেতারা বলেন, ডিমের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ উৎপাদন কমে গেছে।

ডিম বিক্রেতারা আরও বলেন, দাম বাড়লে বিক্রি কিছুটা কমে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ার কারণে তেমন কমে নাই। দাম বৃদ্ধির কারণে এখন মানুষ একটু কম দামে পাওয়ার আশায় পাইকারি বাজারে এসে ডিম কিনছে। এলাকার দোকানে একটু বেশি দামে কিনতে হয়। এছাড়া অতিরিক্ত দামের কারণে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও দোকানে ডিম রাখছে না।  

সূত্র মতে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৫০ ভাগ ডিম-মুরগির জোগান দেন গাজীপুর জেলার খামারিরা। এক সময় গাজীপুর জেলায় ডিম উৎপাদনকারী বা লেয়ার মুরগির খামার ছিল ৪ হাজার ১০৬টি ও ব্রয়লার মুরগির খামার ছিল ২ হাজার ৫৬৫টি। কিন্তু করোনাকাল ও ক্রমাগত লোকসানের কারণে অনেক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। করোনা মহামারি ও পরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে অনেক খামার বন্ধ হয়ে গেছে।


-জ/অ


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175,+8801711443328, E-mail: dailyjobabdihi@gmail.com, jobabdihionline@gmail.com
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft