শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯
 

পর্নোগ্রাফিতে শিকার নারীরা, পুরুষরা হ্যাকিংয়ের: গবেষণা     টি–২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক সাকিব    বঙ্গবন্ধু হত্যার যড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে এ বছরই কমিশন গঠন: আইনমন্ত্রী    সালমান রুশদির হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ    আগামিকাল ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান     ডিমের হাফ সেঞ্চুরি পার    সালমান রুশদি ভেন্টিলেটরে   
এরদোগানের ধর্মীয় গুরু শায়খ মাহমুদ এফেন্দি মারা গেছেন
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২, ৩:৩৪ অপরাহ্ন

বিশ্ববরেণ্য আলেম ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোগানের ধর্মীয় গুরু শায়খ মাহমুদ এফেন্দি মারা গেছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ৯৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি...)। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শায়খ মাহমুদ এফেন্দি বেশ কিছু দিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। এরই মধ্যে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। আজ শুক্রবার ইস্তানবুলের ইউরোপীয় অংশে অবস্থিত মসজিদ আল ফাতিহে জানাজা শেষে মহান এই মনীষীকে দাফন করা হবে।

এদিকে প্রিয় গুরু ও বিশ্বনন্দিত ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ মাহমুদ এফেন্দির ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোগান। এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, আমাদের দেশের একজন আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক মাহমুদ এফেন্দিকে আল্লাহ রহম করুন। তিনি ইসলামের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমি তার পরিবার, ছাত্র ও তার ভক্তদের ধৈর্যধারণ কামনা করছি। তিনি শান্তিতে বিশ্রাম নিন।

উল্লেখ্য, ইসলামের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন শায়খ মাহমদু এফেন্দি। কামাল আতাতুর্কের আধুনিক তুরস্ক শাসনের সময় ধর্মকে মানুষের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে অক্লান্ত প্রচেষ্টা ছিল তার। বিভিন্ন বিষয়ে ইসলামের প্রভাব নিয়ে অসংখ্য বই লিখেছেন এই ইসলামিক ব্যক্তিত্ব।

কামাল আতাতুর্কের তুরস্কে যখন মসজিদগুলো মিউজিয়াম হয়ে যায়। মাদ্রাসাগুলোর যাবতীয় সম্পত্তি সরকার ক্রোক করে নেয়। ধর্মীয় শিক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনে ধর্ম-চর্চা নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সময়ে তুর্কি আলেমরা শহর ছেড়ে চলে যান প্রত্যন্ত অঞ্চলে। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন অজপাড়া গাঁয়ে। গাছের নিচে বাচ্চাদের কুরআন শেখানোর কাজ শুরু করেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞার খড়গ নিয়ে নিজেদের যারা ইসলামের জন্য সঁপে দিয়েছিলেন, তাদের একজন মাহমুদ এফেন্দি।

তিনি যেভাবে কষ্ট করে দ্বীনি ইলম অর্জন করেছেন, তেমনিভাবে নিজেও গ্রামগঞ্জে এভাবে ছাত্রদের শিখিয়েছেন। নিষেধাজ্ঞার সময় শায়খ মাহমুদ আফেন্দি ছাত্রদের আঙুলের ইশারায় সারফ-নাহু শেখাতেন ও হাতের ইশারায় মাসআলা মাসায়িল বলতেন। এখনো তুরস্কের কিছু জায়গায় এ পদ্ধতি চালু আছে।

মাহমুদ এফেন্দি হাফিজাহুল্লাহ তুর্কি ভাষায় কুরআনে কারিমের ১৮ খণ্ডের বিশাল এক তাফসির লেখেন। যার নাম ‘রুহুল ফোরকান’।


জ/ আল

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আক্তার হোসেন রিন্টু
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : প্রকাশক কর্তৃক ৮২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক (৩য় তলা) ওয়্যারলেস মোড়, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭
বার্তা বিভাগ : +8802-58316172, বাণিজ্যিক বিভাগ : +8802-58316175,+8801711443328, E-mail: [email protected], [email protected]
কপিরাইট © দৈনিক জবাবদিহি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft