শীত কিংবা গরম-যেকোনো মৌসুমেই বিটরুটের শরবত শরীরকে দিতে পারে পুষ্টি ও সতেজতার অনুভূতি। উজ্জ্বল লাল রঙের এই সবজিতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় বিটরুট রাখলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। জেনে নেওয়া যাক বিটরুটের শরবতের কয়েকটি পুষ্টিগুণ-
আয়রনে সমৃদ্ধ
বিটরুটে থাকা আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। তাই আয়রনসমৃদ্ধ এই শরবত অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর
বিটরুটে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতেও সহায়তা করতে পারে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
বিটরুটে থাকা নাইট্রেট রক্তনালিকে শিথিল করতে সহায়তা করে। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এটি উপকারী হতে পারে।
লিভারের কার্যক্রমে সহায়ক
বিটরুটে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে। শরীরের বর্জ্য ও ক্ষতিকর উপাদান প্রক্রিয়াজাতকরণেও লিভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা
বিটরুটে থাকা ফাইবার হজমপ্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।
শরীরে শক্তি জোগায়
বিটরুটে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরে শক্তি জোগাতে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করেন এমন ব্যক্তিদের খাদ্যতালিকায় বিটরুট রাখা যেতে পারে।
ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী
বিটরুটে ভিটামিন সি, আয়রন ও ফোলেটসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে বিটরুট খাওয়া ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা
বিটরুটে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহায়তা করে। ফলে সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে বিটরুট খাওয়া শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করতে পারে।
জ/উ