শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অসুস্থ গাফফার চৌধুরীকে ফোন করে খোঁজ-খবর নিলেন রাষ্ট্রপতি স্কটল্যান্ড হারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে দ. কোরিয়া স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা এ মাসেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বন্ধ হচ্ছে না বৈধ-অবৈধ মোবাইল ফোন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২১৩ অভিবাসী আটক হিন্দুদের ওপর হামলা দেশের চেতনার বেদীমূলে হামলা : তথ্যমন্ত্রী জানুয়ারিতে বাড়তে পারে ক্লাসের সংখ্যা: শিক্ষামন্ত্রী ব্যাট-বলের ভারসাম্যে খুশী মাহমুদুল্লাহ ধামইরহাটে উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে পুনরায় দেলদার হোসেন সভাপতি ও সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বিশাল জয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে টাইগাররা ‘বিএনপি নেতারা রাজনীতি নয়, অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করছেন’ গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে আফ্রিদিকে ধরে ফেললেন সাকিব রাডার কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি সই করোনায় ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহের অপরাধে ইউপি চেয়ারম্যান ও কাজি সহ আটক ০৯ কখনও বলিনি বিশ্বকাপ জিতে বিয়ে করব: রশিদ খান নারী ও শিশু উন্নয়ন বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপন ধামইরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ মন্ডলকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

হিন্দু মন্দির বাঁচাতে আদালতে মুসলিমরা

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:১০ অপরাহ্ন
হিন্দু মন্দির বাঁচাতে আদালতে মুসলিমরা

একটি হিন্দু মন্দির অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে এমন অভিযোগ নিয়ে সেটি রক্ষায় আদালতের দ্বারস্থ হলেন মুসলিমরা। ঘটনাটি ভারতের দিল্লির জামিয়া নগরের নুর নগর এলাকার। শুধু তা-ই নয়, মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও ধরনের সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যও আদালতে আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, জামিয়া নগর এলাকার ২০৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির কিছু বাসিন্দা সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালতে করা আবেদনে তাঁরা জানান, এলাকার কিছু অসাধু প্রোমোটার স্থানীয় দুষ্কৃতিকারীদের সংগে হাত মিলিয়ে ইতিমধ্যেই মন্দির চত্বরে থাকা ধর্মশালাটি ভেঙে ফেলেছে। মন্দিরের ভেতরে থাকা ৮-১০টি মূর্তিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে রাতারাতি। তাদের লক্ষ্য, মন্দিরটি ভেঙে সেখানে বহুতল বা অন্য কোনও ভবন নির্মাণ করা। এমন অবস্থায় মন্দিরটি যাতে ভাঙা না হয় সেজন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭০ সালে নুর নগরে তৈরি হয়েছিলো মন্দিরটি। তার পর থেকে প্রতিদিনই সেখানে পূজা ও কীর্তন হয়ে আসছে। নুর নগরের পাশের একটি এলাকায় ইতিমধ্যেই মন্দির ভেঙে অবৈধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে গেছে। নুর নগরেও যে কোনও সময়ে ওই মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

জামিয়া নগরের বাসিন্দাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও অবৈধ প্রক্রিয়ায় মন্দির চত্বর থেকে যাতে কোনও কিছু উচ্ছেদ না করা হয়।

মন্দিরটিও যেন অক্ষত থাকে এবং এলাকায় যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, তাও দেখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: