বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুমকিতে ২শ’ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ দৌলতপুরে ৯ ইটভাটায় ২৯ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় কুমিল্লার কাছে ধরাশায়ী সাকিব-গেইলদের বরিশাল ফেনীতে ছাত্রদলের প্রতিকী অনশন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি ঝিনাইগাতীতে অজগর সাপ উদ্ধার নাজিরপুরে ছাত্রদলের প্রতীকী অনশন ফেনীতে মাদকের মামলায় ২ নারীর যাবজ্জীবন বকশীগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা ডাউনিং স্ট্রিটের পার্টি তদন্ত করছে ব্রিটিশ পুলিশ ভোলাহাটে সমবায় কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ভোলাহাটে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় আটোয়ারীতে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতার শীতবস্ত্র বিতরণ মানিকগঞ্জ যুবলীগের উদ্যোগে শীর্তাতদের মাঝে কম্বল বিতরণ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে সভাপতি বাদশা ভাঙ্গুড়ায় মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা শিবগঞ্জে মাদ্রাসার সহকারী সুপার ৫দিন ধরে নিখোঁজ রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

হরিরামপুরে বাঁশের তৈরি জিনিসের কদর কমেছে

হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরসহ সারা দেশে একসময় ভোর থেকে রাত পর্যন্ত গ্রামীণ পল্লীতে বাঁশ কেটে চটা তৈরি করে  কুলা, চাটাই, চাঙারি, টুকরি, ওড়া, ডালা, চালুনি, মাছ রাখার খালই, ঝুড়ি ও হাঁস-মুরগির খাঁচাসহ বিভিন্ন জিনিস তৈরি করা হতো। পুরুষদের পাশাপাশি  নারীরাও এ কাজে সহায়তা করতো। আর হাটবারে স্থানীয় বাজারে এসব বাশেঁর তৈরি জিনিস বিক্রি হতো। একসময় বাড়ি বাড়ি ফেরি করে এসব বাঁশ-বেতের পণ্য বিক্রি হতো। সময় গড়িয়েছে  এ শিল্পের মূল উপকরণ বাঁশের মূল্য বৃদ্ধি, আয় কমে বাঁশ-বেতের কারিগররা তাদের পেশা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। অনেকেই আবার এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।

বাঁশ আর বেতের তৈরি জিনিসের চাহিদা কমে প্লাস্টিকের পন্য অনেকের ঘরে ঘরে। তাদের আয়ও কমে গেছে।

শনিবারের সাপ্তাহিক ঝিটকার হাটে মানিকনগর গ্রামের শ্রীদাম মনিরীশি- ৫ টি খালই, ৫ টি ঝাকা নিয়ে এসেছেন।  তিনি জানান,  ৪০ বছর ধরে পারিবারিক পেশা হিসেবে বাঁশ আর বেতের কাজ করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন। ২ ছেলে মেয়ে তার। স্ত্রী সহায়তা করে থাকেন। এখন আয় কমে গেছে বাঁশ, বেতের পরিবর্তে মানুষ প্লাস্টিকের জিনিস ব্যবহার বেশি করে।

ঘিওর উপজেলার মাশাইল এলাকা থেকে ঝিটকা হাটে এসেছেন ফনি রায়। মাছ ধরার ১০ টি পলো নিয়ে হাটে এসেছেন।  আগের মতো আয় নেই বলে জানান তিনি। হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চলের লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে মাছের ঝাকা(ঝুরি) কিনতে এসেছেন জামাল হোসেন।  তিনি বলেন,  মাছ ধরে সংসার চালাই। বছরে দুই তিনবার ঝাকা (ঝুরি) কেনা লাগে। ঝিটকার হাটে বেশি পাওয়া যায়,  দাম ও কম।

বৈকা গ্রামের বাবলু বলেন, মাছের খালোই কিনতে আইছি। দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।  এখনো কেনা হয়নি।

ঝিটকা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সেন্টু বলেন, ঝিটকা বাজারে আমাদের এলাকা ছাড়াও ফরিদপুর,  ঢাকার দোহার- নবাবগঞ্জ – ধামরাই উপজেলার ক্রেতা বিক্রেতারা আসেন। ঝিটকার হাটে বাঁশের তৈরি জিনিসের কদর রয়েছে। লাখো টাকার বেশি  বাঁশ, বেতের তৈরি জিনিস বিক্রি হয়ে থাকে এ হাটে।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: