রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিবগঞ্জে ৩০ শতাংশ সিলেবাসে পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল ‘নিষিদ্ধ’ সিনেমা দেখায় এক শিক্ষার্থী ১৪ বছরের কারাদণ্ড ওমিক্রন মোকাবিলায় দেশের সীমান্ত বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা রোগীর মৃত্যুর করনে হাসপাতাল পরিচালকের ৩বছর কারাদণ্ড ডামুড্যায় জাতীয় বীর আব্দুর রাজ্জাক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ‘ওমিক্রন’ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে আহসানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বর্ধিত সভা টঙ্গীতে গ্রাহক ও ঠিকাদার ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন ফেনীর ১০জন শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কৃত হলেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী চোরের নিকট থেকে উদ্ধার হওয়া গরু লালন-পালন করছে পুলিশ বাগেরহাটে ক্লিনিক মালিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : উপকূলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত দেশে করোনায় মৃতেৃর সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়াল তিন সন্তান জন্ম দিয়ে বিপদে পড়া ববিতার পাশে ইউএনও আইন মন্ত্রীর প্রয়াত পিতা-মাতার স্মরণে দোয়া মাহফিল ডিমলায় প্রতিবন্ধী দিবসে আর্থিক সহায়তা প্রদান ডেঙ্গুতে আরও ৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ৫২৯১ কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ৫২৯১ কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে ৫৭ কোটি ৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫ হাজার ২৯১ কোটি টাকা (প্রতি সুইস ফ্র্যাংক ৯৪ টাকা হিসাবে)। তবে আগের বছরের চেয়ে এ আমানত ৩৭৬ কোটি টাকা কমেছে। ২০১৯ সালে যা ছিল ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা।বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) ২০২০ সাল শেষের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশের নামে সে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় মোট যে দায় রয়েছে, তার মধ্যে ৫৩ কোটি ফ্রাঁ এ দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে। অন্যদিকে গ্রাহক আমানত রয়েছে তিন কোটি ২২ লাখ ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০০ কোটি টাকার সামান্য বেশি।

২০১৯ সালে ছিল প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ফলে আগের বছরের চেয়ে বাংলাদেশের নামে থাকা অর্থ কিছুটা কমেছে। তবে বাংলাদেশি গ্রাহকের নামে থাকা আমানত অনেক বেড়েছে।

বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যদি নিজের বদলে অন্য দেশের নামে অর্থ গচ্ছিত রেখে থাকে, তাহলে তা এই হিসাবের মধ্যে আসেনি।

একইভাবে সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভসামগ্রীর আর্থিক মূল্যমান হিসাব করে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অনেক দেশের নাগরিকই মূল্যবান সামগ্রী সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকের ভল্টে রেখে থাকেন।

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০২০ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানতের স্থিতি ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ডলার। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে যা ছিল ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্র্যাংক। ২০১৮ সালে ছিল ৬১ কোটি ৭৭ লাখ ফ্র্যাংক। ২০১৭ সালে ছিল ৪৮ কোটি ১৩ লাখ ফ্র্যাংক। ২০১৬ সালে ৬৬ কোটি ১৯ লাখ ফ্র্যাংক। ২০১৫ সালে ৫৫ কোটি ০৮ লাখ ফ্র্যাংক। ২০১৪ সালে যা ছিল ৫০ কোটি ৬০ লাখ ফ্র্যাংক।

২০১৩ সালে ৩৭ কোটি ২০ লাখ ফ্র্যাংক স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা। ২০১২ সালে ছিল ২২ কোটি ৯০ লাখ ফ্র্যাংক। ২০১১ সালে ছিল ১৫ কোটি ২০ ফ্র্যাংক। ২০১০ সালে ছিল ২৩ কোটি ৬০ লাখ ফ্র্যাংক, ২০০৯ সালে ১৪ কোটি ৯০ লাখ, ২০০৮ সালে ১০ কোটি ৭০ লাখ, ২০০৭ সালে ২৪ কোটি ৩০ লাখ, ২০০৬ সালে ১২ কোটি ৪০ লাখ, ২০০৫ সালে ৯ কোটি ৭০ লাখ, ২০০৪ সালে ৪ কোটি ১০ লাখ, ২০০৩ সালে ৩ কোটি ৯০ লাখ ফ্র্যাংক এবং ২০০২ সালে ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ফ্র্যাংক।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে ২০২০ সালে সুইজারল্যান্ডের ২৫৬টি ব্যাংকে আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে ছিল এক লাখ ৩০ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। এ হিসাবে এক বছরে আমানত কমেছে ৬ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। এছাড়া ২০১৮ সালে যা ছিল এক লাখ ২৭ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। ২০১৭ সালে ছিল এক লাখ ৩৫ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। ২০১৬ সালে ছিল এক লাখ ৩২ হাজার কোটি। ২০১৫ সালে সুইস ব্যাংকে বিদেশিদের মোট আমানত ছিল এক লাখ ৩৩ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। ২০১৪ সালে এক লাখ ৩৮ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। ২০১৩ সালে ছিল এক লাখ ২৩ হাজার কোটি, ২০১২ সালে ছিল এক লাখ ২৯ হাজার কোটি ফ্র্যাংক। ২০১১ সালে এক লাখ ৪০ হাজার কোটি, ২০১০ সালে এক লাখ ৩৪ হাজার কোটি এবং ২০০৯ সালে ছিল এক হাজার ৩৩ হাজার কোটি ফ্র্যাংক।

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয়দের সুইস ব্যাংকে জমানো অর্থের পরিমাণে এবার বড় উল্লম্ফন ঘটেছে। ৮৯ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঙ্ক থেকে বেড়ে ২.৫৫ বিলিয়ন হয়েছে। পাকিস্তানিদের জমা অর্থের পরিমাণ ৩৫ কোটি ৯৬ লাখ থেকে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ৬৪ কোটি ২২ লাখ সুইস ফ্রাঙ্ক হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের ২৪৩টি ব্যাংকের যে হিসাব দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক দিয়েছে, তাতে একক দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জমা অর্থের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, ৩৭৭ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঙ্ক। এর পরের অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জমার পরিমাণ ১৫২ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঙ্ক। তালিকায় এর পরে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ফ্রান্স, হংকং, জার্মানি, সিঙ্গাপুর ও লুক্সেমবার্গের নাম।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: