সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাণীনগরে ৫ লাখ টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক নওগাঁয় ৩৫০ জন দুঃস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ সমাজের বিত্তবানদের প্রতি প্রতিবন্ধি অসহায় মায়ের আবেদন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ ইউপিতে ১৮ আওয়ামীলীগ এবং ১৫ বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিজিটাল বাংলাদেশ ই সেবা ক্যাম্পেইন-২০২১ এর উদ্বোধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে’ ইমামদের সাথে প্রশিক্ষণ কর্মশালা রায়পুরায় বিউটি পার্লারের ভিতর থেকে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার চকরিয়ায় ইউপি নির্বাচনে পুনরায় ভোট গণনার দাবীতে প্রার্থীর পক্ষে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মহসিন মিয়া শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত মির্জাগঞ্জে ৬ ইউপিতে ২টিতে বিদ্রোহী ও ৪টিতে নৌকা প্রার্থী বিজয়ী ফেনীতে ছয় হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ বেসরকারিভাবে নবীনগরে ১৩টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেন যারা সোনারগাঁয়ে নৌকার উপর “খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই”সিল আড়কির বাশেঁর তলে চাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু মতলব উত্তরে ১৩ ইউপি নির্বাচনে ৭ নৌকা ও ৬ স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়লাভ নাটোরে ইউপি নির্বাচনে নৌকা ৫, বিদ্রোহী ৬ ও স্বতন্ত্র ৪টিতে বিজয়ী ফেনী সিটি কলেজে জিপিএ-৫ সংবর্ধনা ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অবশেষে বাড়ী পেয়ে স্বামী-স্ত্রীর মুখে হাসি সােনারগাঁয়ে ৪ ইউপিতে ২ নৌকা, বাকি ২টিতে লাঙ্গল ও স্বতন্ত্রের জয় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ১৫ ইউনিয়নে নির্বাচন আগামী ৫ জানুয়ারী

সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় আমরা বিব্রতঃ সিইসি

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:০০ অপরাহ্ন
সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় আমরা বিব্রতঃ সিইসি

ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় কমিশন বিব্রত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এই কথা বলেন।
সিইসি বলেন, নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে সেটা ঠিক, আমরা সেটি প্রত্যক্ষ করেছি। নির্বাচনের ব্যাপারে মাঠপর্যায়ে কি ধরনের নির্দেশনা দেওয়া দরকার সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। আমরা আশা করি আগামী ৪ তারিখে বিস্তারিত আলোচনা করবো। অনেকগুলো ঘটনা ঘটে গেছে। যেগুলো নিয়ে আমরা বিব্রত। সেটা নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা কমিশনারদের সংগে আলোচনা করে মাঠপর্যায়ে দিকনির্দেশনা দেবো।

নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা কেন ঘটছে? মাঠপর্যায়ে কি কমিশনের নিয়ন্ত্রণ নেই? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে যদি সহনশীলতা না থাকে, তাহলে তো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। আমরা বারবার বলি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, প্রতিযোগিতামূলক হবে, কিন্তু প্রতিহিংসামূলক হবে না। আমরা আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, নির্বাচনে যে সহিংস ঘটনা ঘটছে, সেটা সবার প্রচেষ্টার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, অভিযোগ এলেই আমরা ব্যবস্থা নেই। কিন্তু তাৎক্ষণিক কোনো ফৌজদারি ঘটনা ঘটলে, সেটা আমরা এখানে বসে কিছু করতে পারি না। এগুলো পূর্ব পরিকল্পিত হয় না বা প্রশাসন তা আগে থেকেই জানতে পারে না। ফৌজদারি ঘটনাগুলো ঘটলে তা মাঠপর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আমাদের কঠোর নির্দেশনা আছে।

শরিয়তপুরে কয়েকজন প্রার্থীর স্বাক্ষর জাল করে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করার অভিযোগের বিষয়ে সিইসি বলেন, এই বিষয়ে কমিশনের একজন যুগ্ম-সচিবকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদনটা পেলেই আমরা ঠিক যে অবস্থান সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেবো। সাত দিনের মধ্যে আমরা এটি জানতে পারবো।

রাজনৈতিক দলের ভূমিকা পজেটিভটি দেখছেন কিনা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমরা খুব পজেটিভলি দেখছি না। দু:খজনক হলেও সত্যি। এই সমস্ত বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় ভূমিকা থাকা দরকার। নির্বাচনের বিষয়টি শুধু নির্বাচন কমিশনের না, এটা সকলেরই। আমরা তার ব্যবস্থাপনায় থাকি শুধু। সুতরাং তারা আরও প্রোঅ্যাকটিভ যদি হয়, তাহলে এগুলো আরও কমে আসবে।

এই সময় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের একটাই মাত্র বক্তব্য সেটা হলো নির্বাচনের যেই সমস্ত বিষয়গুলো আপনারা উল্লেখ করেছেন, যেই ধাপগুলো মূলত নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা। আপনাদের মাধ্যমে তাদের কাছে আমরা সোজা ম্যাসেজ দিতে চাই। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে পরে কিন্তু এর দায় তাদের উপরেই বর্তাবে। আমরা তাদেরকেও জবাবদিহিতার অধিনে আনবো।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারের কাছে বলতে চাই, সেটা হলো দয়া করে উনারা যেনো একটু শান্ত থাকার চেষ্টা করেন। যাতে করে এই সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। যদি সহিংসতার ঘটনা না হয়, তাহলে এই রকম অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটবে না। কোনো মায়ের বুক খালি হবে না। কোনো ছেলে পিতৃহারা হবে না। এই ধরণের ঘটনা অন্তত সীমিত হয়ে আসবে। এইটা হচ্ছে আমাদের একমাত্র ম্যাসেজ।

এই সময় নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী (অব.), ইসি সচিম মো. হুমাযুন কবীর খোন্দকার, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম হুমায়ূন কবীর, আইডিইএ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: