শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে করোনায় আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪৪০ মানিকগঞ্জে নারী হত্যায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার সুন্দরবনের রুপার খাল থেকে মৃত বাঘ উদ্ধার দিনাজপুরের হিলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস শেরপুরের হরিজনরা পাচ্ছেন ছয়তলা ভবন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে  হিরন ও হমিদা এডুকেশনাল ট্রাস্ট দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়িগ্রামে ৬ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস উজিরপুরে ব্রিজ ভেঙে ভেকুসহ লরি খালে ফেনী সমিতি ঢাকার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাকিস্তানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ সেনা নিহত ফেব্রুয়ারিতেই ইউক্রেনে হামলা করতে পারে রাশিয়া : বাইডেন হন্ডুরাসের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট জিওমারা কাস্ত্রো ঘরে ফিরে মুশফিকদের কাছে হারল চট্টগ্রাম ভোলায় বেগুন চাষে কৃষকদের মাঝে সাড়া ব্রাজিলকে রুখে দিল ইকুয়েডর এবারের আইপিএলের সব খেলা হবে এক শহরে! মেসি বিহীন জিতলো আর্জেন্টিনা রাজধানীতে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৫৯ জন গ্রেফতার ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র ভারতী এয়ারটেলে শত কোটি ডলার বিনিয়োগ গুগলের

শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে ভোলা সরকারি কলেজ

ভোলা প্রতিনিধি:
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন

ভোলা জেলার সেরা বিদ্যাপীঠ ভোলা সরকারি কলেজ। জেলার একমাত্র উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এটিই। তবে পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, ভেঙে পড়েছে শিক্ষাব্যবস্থা। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকেরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জানা যায়, ১৯৬২ সালে আলতাজের রহমান তালুকদার, হাজি খোরশেদ আলম, ইলিয়াস আলী মাস্টার, মো. ছিদ্দিক, মোসলেউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষানুরাগী মিলে ১৫ দশমিক ৬০ একর জমির ওপর কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৯৭৯ সালে কলেজটি সরকারীকরণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে ১৬টি বিষয়ে অনার্স, ১৪টি বিষয়ে মাস্টার্স ও ডিগ্রিসহ (পাস) উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি চালু রয়েছে। ভোলার সাতটি উপজেলা ও জেলার বাইরে থেকে আসা ৮ হাজার শিক্ষার্থী স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারছে। তবে বর্তমানে কলেজটি শিক্ষক ও অবকাঠামোর সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত।

কলেজটিতে ৮৯ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মাত্র ৪৩ জন শিক্ষক দিয়েই কার্যক্রম চলছে। উপাধ্যক্ষ পদটিও শূন্য প্রায় চার বছর ধরে। বিভাগ হিসেবেও রয়েছে শিক্ষকের সংকট। ইংরেজি বিভাগে ছয়জনের মধ্যে আছেন চারজন, অর্থনীতিতে পাঁচজনের মধ্যে দুজন, বাংলায় সাতজনের মধ্যে ছয়জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে তিনজন, ইতিহাসে চারজনের মধ্যে দুজন, ইসলামের ইতিহাসে চারজনের মধ্যে একজন, দর্শনে চারজনের মধ্যে একজন, সমাজকর্মে ছয়জনের মধ্যে দুজন, ভূগোলে চারজনের মধ্যে দুজন, গণিতে চারজনের মধ্যে দুজন, পদার্থবিজ্ঞানে চারজনের মধ্যে দুজন, রসায়নে চারজনের মধ্যে একজন, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞানে চারজনের মধ্যে দুজন করে, মৃত্তিকাবিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে একজন, হিসাববিজ্ঞানে ছয়জনের মধ্যে দুজন, ব্যবস্থাপনায় ছয়জনের মধ্যে দুজন, আরবি ও ইসলাম শিক্ষায় দুজনের মধ্যে একজন কর্মরত রয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচজন প্রশিক্ষণসহ নানা ছুটিতে রয়েছেন।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: