রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভবন ও রাস্তা নির্মাণে ভালো ইট তৈরি ও সরবরাহের নির্দেশ: তাজুল ইসলাম ফখরুলসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ নভেম্বর দেশে আরও ২৪১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী আমাদের হুমকি দিয়েছিল: ডেভিড হোয়াইট তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ : তথ্যমন্ত্রী আরও তিন শাখা উদ্বোধন হলো প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের খাদে পড়ল বাস ৩০ যাত্রী নিয়ে সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায় : মির্জা ফখরুল দেশে করোনায় শনাক্ত নামল ছয় শতাংশের নিচে সামঞ্জস্যপূর্ণ সাজার চর্চা নিশ্চিতে নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল নিজ চার সন্তানকে বিষ খাইয়ে, আগুন পুড়ে আত্মহত্যাচেষ্টা মায়ের! মামলায় ‘পলাতক’, অথচ স্কুলের বেতন তুলছেন শিক্ষক রাণীশংকৈলে বীরঙ্গনা ঐক্য সংঘের সমাবেশ ইঁদুর মারার বিষকে চকলেট ভেবে খেয়ে শিশুর প্রাণ গেল বিয়ে বাড়িতে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বেঁড়া দিয়ে চাষাবাদ লোকালয়ে আসা হরিণ বনে ফেরত বাংলাদেশ চাইলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ আগামীকাল দেবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন, ঝুঁকিতে ৬ কেন্দ্র আত্রাইয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মিত হলো দৃষ্টিনন্দন শিশুপার্ক

বেদেরা বাশেঁর টুকরী ঘরেই করছে জীবনযাপন

আখাউড়া ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
বেদেরা বাশেঁর টুকরী ঘরেই করছে জীবনযাপন

বাঁশের বেতের টুকরী। ওপরে পলিথিন। লম্বায় পাঁচ-ছয় হাত। সেখানেই জন্ম-মৃত্যু। এমনকি বেড়ে ওঠাও। তবে জীবিকার তাগিদে ছুটে চলেন এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। তাও আবার হেঁটে।
এমনই দৃশ্য দেখা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুর রেলস্টেশন এলাকায় বেদে পরিবারে। এ এলাকায় ৯টি বেদে পরিবারের বসবাস।

জীবিকা নির্বাহে শিঙ্গা লাগানো, ঝাড়ফুঁক, তাবিজ বিক্রি, হারানো গয়না খোঁজা, সাপ ধরা ও সাপের খেলা দেখিয়ে চলে তাদের সংসার। সময়ের বিবর্তনে তাদের আদি পেশা কিছুটা হুমকির মুখে পড়লেও গ্রামীণ জনপদে জনপ্রিয়তা একেবারেই শেষ হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকটাই বিপাকে রয়েছেন তারা। কাজকর্ম না থাকায় কষ্টে কাটছে তাদের দিন।

প্রায় ২০ দিন আগে আজমপুর রেলস্টেশন এলাকায় আসে কয়েকটি বেদে পরিবার। এখানে ৯টি টুকরী ঘর বানিয়ে ৩০ জনেরও বেশি লোক থাকছেন। রয়েছে ছয়-আট বছরের শিশুও।

বেদে পরিবারের সদস্যরা জানান, তাদের একটি বহর একেক এলাকায় অনেকদিন থাকে। গ্রীষ্ম-বর্ষা আর শীতে খুপড়ি ঘরেই থাকেন। যাযাবরের মতো এভাবেই কাটছে তাদের দিন। তবে বিয়েশাদি, ভবিষ্যৎ গন্তব্য, সালিশ এসব কিছুর জন্য থাকেন একজন নেতা। তার নির্দেশেই সবকিছু চলে।

শামীম খান নামে এক বেদে জানান, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তিনজনের সংসার তার। শিঙ্গা লাগানো, ঝাড়ফুঁক, তাবিজ বিক্রি, হারানো গয়না খোঁজা, সাপ ধরা ও সাপ খেলা দেখিয়ে তার সংসার চলে। গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখনো ঝাড়ফুঁক বিশ্বাস করে। তাবিজ-কবজেও বেশ আস্থা রয়েছে। হাট-বাজারে সাপের খেলায় লোকজনও ভালো জমে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে কোথাও যাওয়া যাচ্ছে না। কাজকর্ম একেবারে নেই বললেই চলে।

বাদশা মিয়া বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে হাট-বাজারে লোকসমাগম তেমন হয় না। তাই সাপের খেলার চাহিদা নেই। আগে হাজার টাকা আয় হলেও এখন ৩০০ টাকা পেতেও কষ্ট হয়ে যায়। বাপ-দাদার পেশা ছাড়তেও পারি না। অন্য কোনো কাজও জানা নেই।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার বলেন, বেদে সম্প্রদায়কে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে পাওয়া কিছু খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পৌর মেয়র ও স্থানীয় চেয়ারম্যানও তাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ