রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিশু কন্যাকে ধর্ষনের অভিযোগে কিশোর আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ.লীগ থেকে লিটন বহিষ্কার গোয়ালন্দ উপজেলার ১ঘণ্টার জন্য ইউএনও দশম শ্রেণির ছাত্রী বাবলী জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার জয় দিয়ে সুপার টুয়েলভ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ অনেকবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি: কঙ্গনা সাম্প্রদায়িক হামলার সবাইকে চিহ্নিত করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে জাতীয়পার্টির নেতৃবৃন্দ আওয়ামীলীগে যোগদান রোববার পায়রা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ১৮৯ মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সৈন্য সমাবেশ, গণহত্যার শঙ্কা জাতিসংঘের হাওর বাঁচাও আন্দোলনের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত-১,আহত-৩০ সরকার হিন্দু সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে: স্পিকার রোহিঙ্গাদের চুলের মুঠি ধরে ওপারে পাঠাতে হবে: শুভেন্দু মামলার জট কমাতে ‘মধ্যস্থতা’ প্রক্রিয়া বড় ভূমিকা রাখতে পারে: প্রধান বিচারপতি গাইবান্ধায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীন সাদুল্লাপুরে পরিত্যক্ত কলাগাছে ১০টি মোচা উঠানের রিংপার্টের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বাবা-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে যা বলেছিলো মেহজাবিন

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
বাবা-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে যা বলেছিলো মেহজাবিন

রাজধানীর কদমতলী থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর হাইস্কুল রোডের একটি বাসা থেকে বাবা, মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে তাকে আটকের পর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ওই পরিবারের শিশুসহ আরও দুজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তারা হলেন- মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমি ইসলাম (৪৫) ও মেয়ে জান্নাতুল (২১)।

হাসপাতালে যে দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে, তারা হলেন-মাসুদ রানার আরেক মেয়ে মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তাদের পাঁচ বছরের মেয়ে মার্জান তাবাসসুম।

পুলিশ জানিয়েছে, মেহজাবিন তার বাবা-মা ও বোনকে হত্যা করার পর আজ সকাল ৮টায় ৯৯৯-এ কল করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার দ্রুত না আসলে আমার স্বামী ও মেয়েকে খুন করে ফেলব।’

পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। আর মেহজাবিনের স্বামী ও সন্তানকে অচেতন অবস্থায় ঢামেকে পাঠায়।

পুলিশের ধারণা, শুক্রবার (১৮ জুন) রাতে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তিনজনকে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ওয়ারী জোনের ডিসি ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, মেহজাবিন হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে ফোন দেয়। পুলিশ দ্রুত না গেলে তার স্বামী ও সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় সে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে।

কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন,‘আমরা মরদেহগুলো হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। গতকাল রাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে তাদেরই আরেক মেয়ে। সেই মেয়েকে আটক করা হয়েছে।’


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: