বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অসুস্থ গাফফার চৌধুরীকে ফোন করে খোঁজ-খবর নিলেন রাষ্ট্রপতি স্কটল্যান্ড হারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে দ. কোরিয়া স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা এ মাসেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বন্ধ হচ্ছে না বৈধ-অবৈধ মোবাইল ফোন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২১৩ অভিবাসী আটক হিন্দুদের ওপর হামলা দেশের চেতনার বেদীমূলে হামলা : তথ্যমন্ত্রী জানুয়ারিতে বাড়তে পারে ক্লাসের সংখ্যা: শিক্ষামন্ত্রী ব্যাট-বলের ভারসাম্যে খুশী মাহমুদুল্লাহ ধামইরহাটে উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে পুনরায় দেলদার হোসেন সভাপতি ও সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বিশাল জয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে টাইগাররা ‘বিএনপি নেতারা রাজনীতি নয়, অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন করছেন’ গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে আফ্রিদিকে ধরে ফেললেন সাকিব রাডার কিনতে ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি সই করোনায় ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহের অপরাধে ইউপি চেয়ারম্যান ও কাজি সহ আটক ০৯ কখনও বলিনি বিশ্বকাপ জিতে বিয়ে করব: রশিদ খান নারী ও শিশু উন্নয়ন বিষয়ক সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপন ধামইরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ মন্ডলকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

ফেনীতে স্বর্ণের বার ডাকাতি মামলার বাদীর পার্টনার গ্রেফতার

ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
ফেনীতে স্বর্ণের বার ডাকাতি মামলার বাদীর পার্টনার গ্রেফতার

চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে ফেনীতে আটক করে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি ও লুন্ঠন করা মামলায় তদন্তে ঘটনায় জড়িত থাকায় বাদীর ব্যবসায়ীক পার্টনার ও পুলিশের সোর্স ছমদুল হক ভুট্টু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রোববার রাতে ফেনীর সিনিয়র সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের আদালতে এ জবানবন্দি দেয় ভুট্টু।

ফেনী মডেল থানার ওসি তদন্ত ও মামলাটির পূর্বের তদন্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, তদন্তে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও পুলিশের সোর্স ছমদুল হক ভুট্টুকে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম কেওএসসি রোড এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে ফেনী মডেল থানায় এনে ব্যাপক জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। রোববার ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সন্ধ্যায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সূত্র জানায়, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ভুট্টু জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও ফেনীতে ২০টি স্বর্ণবার ডাকাতি মামলার বাদী গোপাল কান্তি দাশ এক সময়ে তার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলো। ঘটনার দিন গোপাল ২৭টি স্বর্ণবার নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন এমন তথ্যটি একজনকে জানিয়েছিলেন তিনি। যাকে তিনি (ভুট্টু) এ তথ্যটি জানিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি ফেনী ডিবি ওসির সোর্স হিসেবে কাজ করেন। ওই সোর্স ফেনী ডিবি ওসি সাইফুল ইসলামকে জানিয়ে দেন স্বর্ণবারগুলো গোপাল চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা নিয়ে যাচ্ছেন। সোর্সের দেওয়া সেই তথ্যে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাশের গাড়ি আটকিয়ে তল্লাশি করে। ডিবি পুলিশ সে সময়ে গাড়ি তল্লাশি করে ১৫টি স্বর্ণবার পেলেও লুকায়িত অবস্থায় ১২টি স্বর্ণবার গোপালের গাড়িতে থেকে যায়। পরে গোপাল কান্তি দাশ চট্টগ্রামে ফিরে তাকে (সাবেক ব্যবসায়ীক অংশীদার ছমদুল হককে) বিষয়টি অবগত করে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে আরও জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া বেশিরভাগ স্বর্ণবার কক্সবাজারের টেকনাফ দিয়ে মিয়ানমার হতে চোরাই পথে আনা হয়।

এদিকে আলোচিত এ মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে তদন্তভার দেয়ার পরপরই তারা তদন্ত শুরু করেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক শাহ আলম জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে দায়িত্ব পেয়ে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। মামলা সংক্রান্ত সব তথ্য-উপাত্ত আমরা বুঝে নিয়েছি। গ্রেপ্তারকৃত ছয় (বরখাস্ত) পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রয়েছে।

অপরদিকে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় মামলার তদন্তে সন্ধিগ্ধ এসআই ফিরোজ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ মামলায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতারকৃত ডিবির বরখাস্তকৃত ওসি সাইফুল ইসলামকে প্রথম দফায় গত ১১ আগস্ট বুধবার থেকে চার দিন ও এসআই মোতাহের হোসেন, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই নুরুল হক এবং এএসআই অভিজিৎ রায় ও এএসআই মাসুদ রানাকে তিন দিন করে রিমান্ড দেয় আদালত।

প্রথম দফায় রিমান্ড শেষে তাদেরকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করে পুলিশ। এদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ডিবি ওসি সাইফুল ইসলামকে রোববার থেকে চার দিন ও অপর ৫ জনকে শনিবার থেকে তিন দিন করে রিমান্ড দেয় আদালত।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: