মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবশেষে এসপি’র হস্তক্ষেপে থানায় মামলা! যশোরে চোরাই ইজিবাইকসহ আটক ৪ স্বাধীনতাবিরোধী চক্রই দেশের সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য দায়ী: ইনু মানিকগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ডিমলায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর তিস্তা নদী থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দার চেষ্টা বিএনপি’রঃ নানক বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন ইয়েন অনুদান দিচ্ছে জাপান এ মাসে প্রবাসী আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়ালো জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ডের আবেদনের সময় বাড়লো ভোলাহাটে ভেজাল আইসক্রীম কারখানায় র‌্যাবের অভিযান ৫৯ বিজিবি’র শিয়ালমারা সীমান্তে অভিযান ॥ ফেন্সিডিলসহ আটক ১ ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৯০ জন রোগী ভর্তি অপারেশন শেষে আইসিইউতে খালেদা জিয়া উমরাহ পালনে আর ১৪ দিনের অপেক্ষা নয় ভারতের কেরালা রাজ্যে বন্যায় প্রাণহানিতে মোমেনের শোক বহিস্কৃত নেতাকে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ রৌমারীতে সার সংকটে কৃষক বিপাকে মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১, আহত ২

প্রেমিক কর্তৃক সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
প্রেমিক কর্তৃক সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ঐ স্কুলছাত্রীর প্রেমিক জুয়েল রানা ও তার চার সহযোগীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয় এবং অভিযোগ করলে ভিভিও ভাইরাল করার হুমকি দেয় সংঘবদ্ধ ধর্ষকেরা।
এই ঘটনায় মেয়ের মা বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামি করে দেবীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামীরা হলেন, দন্ডপাল ইউনিয়নের কালীগঞ্জ লোহাগাড়ার মুন্না, একই এলাকার সাহেব আলীর ছেলে নুর, কালীগঞ্জ কলেজপাড়ার ওসমান আলীর ছেলে রিমন, কালীগঞ্জ বাজারের রেজাউল করিমের ছেলে নিশাত, দেবীগঞ্জ পৌরসভার নতুন বন্দরের খোকা মিয়ার ছেলে জুয়েল রানা।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, কালীগঞ্জ সুকাতু প্রধান উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর সাথে মুঠোফোনে দেবীগঞ্জ পৌরসভার নতুন বন্দর এলাকার জুয়েল রানার পরিচয় হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে! ব্যক্তিগত জীবনে জুয়েল বিবাহিত। তবে বিয়ের বিষয়টি তিনি গোপন করেন।
গত শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে জুয়েল ওই মেয়ের সাথে দেখা করার জন্য মুঠোফোনে কল দিয়ে মৌমারী বাজারে ডেকে আনেন। এরপর কথাবার্তার এক পর্যায়ে বাকী আসামীদের সহযোগিতায় জুয়েল ওই মেয়েকে আসামী নিশাতের পুরোনো পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিশাত ও রিমন ওই ছাত্রীর মুখ ও হাত চেপে ধরে এবং নুর প্রথমে ধর্ষণ করে। এই সময় অপর আসামী মুন্না মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। এই সময় জুয়েল ঘরের বাইরে পাহাড়ারত অবস্থায় ছিলেন। পরে একে একে রিমন, নিশাত, মুন্না জুয়েল পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করলে ইন্টারনেটে ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দিবে বলে হুমকি দেয় আসামীরা। এরপর মেয়েটিকে ছেড়ে দেয় তারা। মেয়েটি সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানানোর পর দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ওসি (তদন্ত) বজলুর রশিদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে জুয়েলকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছি। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মেয়ের মা মুঠোফোনে বলেন, মেয়ের শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আত্মীয়ের বাসায় আছি। এখানেই মেয়ে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসা করাবো।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: