মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবশেষে এসপি’র হস্তক্ষেপে থানায় মামলা! যশোরে চোরাই ইজিবাইকসহ আটক ৪ স্বাধীনতাবিরোধী চক্রই দেশের সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য দায়ী: ইনু মানিকগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ডিমলায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর তিস্তা নদী থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দার চেষ্টা বিএনপি’রঃ নানক বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন ইয়েন অনুদান দিচ্ছে জাপান এ মাসে প্রবাসী আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়ালো জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ডের আবেদনের সময় বাড়লো ভোলাহাটে ভেজাল আইসক্রীম কারখানায় র‌্যাবের অভিযান ৫৯ বিজিবি’র শিয়ালমারা সীমান্তে অভিযান ॥ ফেন্সিডিলসহ আটক ১ ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৯০ জন রোগী ভর্তি অপারেশন শেষে আইসিইউতে খালেদা জিয়া উমরাহ পালনে আর ১৪ দিনের অপেক্ষা নয় ভারতের কেরালা রাজ্যে বন্যায় প্রাণহানিতে মোমেনের শোক বহিস্কৃত নেতাকে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ রৌমারীতে সার সংকটে কৃষক বিপাকে মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১, আহত ২

পরিত্যাক্ত ভবনে চলছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের কাজ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
পরিত্যাক্ত ভবনে চলছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের কাজ

ব্যবহারের অনুপযোগী ও পরিত্যাক্ত ভবনে চলছে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের সরকারি সকল কার্যক্রম।

বৃহস্পতিবার (৫ আগষ্ট) সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিলি স্থলবন্দর এলাকার হাকিমপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের সকল কার্যক্রম। ভবনের ছাদ ও দেওয়ালে ফাটল দেখা গেছে। এছাড়া ছাদ, কলাম ও দেয়াল থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা। আবার অনেক স্থানে বেরিয়ে এসেছে মরীচিকা ধরা লোহার রড। বিভিন্ন স্থানে ধরেছে ভয়াবহ ফাটল। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

স্হানীয়দের অভিযোগ, এই হাকিমপুর উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর। এখান থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। তারপরও রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা। এমনকি উপজেলাটিতে আধুনিকতার কোন ছোয়া লাগেনি।আবার অবকাঠামোর দিক দিয়েও অনেকটা পিছিয়ে আছে। সরকার শুভদৃষ্টি দিবেন বলে আশা এলাকাবাসীর।

হাকিমপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোস্তাফিজার রহমান জানান, সরকারি অফিস তারপরও তেমন গুরুত্ব নেই। যখন অফিসে বসি তখন প্রায় ছাদের পলেস্তারা খুলে গায়ের ওপর পরে। সবসময় ভয়ে থাকি। কারণ যেদিকে তাকাই ফাটল আর ফাটল। যার জন্য খুব অল্প সময় অফিসে বসে কাজ করি। তবে বেশির ভাগ সময় খাদ্য গুদামের অফিসে বসি।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর-এ-আলম জানান, আমাদের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসটি ব্যবহারের অনুপযোগী সেটা ঠিক। তবে ইতোমধ্যে ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা মাসিক মিটিংএ জেলা প্রশাসকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এমনকি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: