শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে ৬জন সাংবাদিকদের সম্মাননা পুরস্কার প্রদান দাগনভূঞায় ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচার যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ নিহত শ্রীপুরে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ! বিএনপির বিদেশে লবিস্ট নিয়োগের প্রমাণ আছে দুই বছরের জন্য জাতীয় সরকার দরকার: ডা. জাফরুল্লাহ মদ্যপ অবস্থায় পুলিশের সাথে অসদাচরণ, বন্ধুসহ থানায় স্পর্শিয়া বরিশালে স্ত্রী হত্যায় গ্রেফতার স্বামী সহ তিনজন কারাগারে বরিশালে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষা কার্যক্রম চলবে অনলাইনে বিরামপুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল ডিশ লাইনম্যানের শেরপুরে বিনাচিকিৎসায় ৮ বছর ধরে ঘর বন্দি আঁখি র‌্যাবের কারণেই দেশে সন্ত্রাস কমেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় শনাক্ত বেড়ে ১১৪৩৪, হার ২৮.৪৯% শিবগঞ্জে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত শীতার্তদের মাঝে ভয়েস অব ঝিনাইগাতীর শীত বস্ত্র বিতরণ মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতা সেলিমের উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ বাগাতিপাড়ায় রাতের আধারে ৯ বিঘা জমির গাছ কেটেছে দুর্বৃত্তরা শিক্ষামন্ত্রী ডাকে ঢাকায় যাচ্ছেন শাবি’র আন্দোলনের ৫শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামে গাঁজার গাছসহ চাষী গ্রেফতার

নেই কোনো নদী শাসন ব্যবস্থা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

নেই কোনো নদী শাসন ব্যবস্থা। ফলে ঘাঘট নদীর তীরবর্তী মানুষ হারাচ্ছে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। নাব্যতা সংকটে পানির প্রবাহ কম থাকলেও গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ও দামোদরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ নদী ভাঙন। গত এক মাসের ব্যবধানে শতাধিক পরিবার তাদের ঘর বাড়ি অন্যত্র সড়িয়ে নিয়েছে। নদী পাড়ের ২৬ কিলোমিটারের দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বহু সরকারি স্থাপনা, স্কুল, কলেজ, মসজিদসহ হুমকির মুখে রয়েছে একটি গুচ্ছগ্রাম। শতশত হেক্টর ফসলি জমি, ঘর-বাড়ি, গাছপালাসহ চলাচলের রাস্তা বিলীন হয়েছে নদী গর্ভে। আঁকাবাঁকা হয়ে বয়ে চলা ঘাঘট নদীটি গিয়েছে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায়। দুই জেলার সীমান্তবর্তী হলেও পুরো নদটি রয়েছে গাইবান্ধার মানচিত্রে। সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্রীরামপুরের ছান্নার ঘাট থেকে নাটির ছাড়া, রসূলপুর ইউনিয়নের কাটা নদী মুখ হয়ে দামোদরপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গামোড় এলাকার কুটিরপাড়া পর্যন্ত নদীপাড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে শতশত হেক্টর ফসলি জমি, ঘর-বাড়ি, গাছপালাসহ চলাচলের রাস্তা।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ হয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলার টুনির চর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটার ঘাঘট পাড়ে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। এ বাঁধেই আশ্রয় হয়েছে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের। প্রতি বছরের বন্যা আর নদী ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে মানুষ। অনেকে মাথা গোজার ঠাঁই হারিয়ে পথে বসেছে। ঘাঘট নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কয়েকটি পয়েন্ট ইতিমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে। বাঁধ সংলগ্ন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সহাবাজ, দক্ষিণ সাহাবাজ, মাস্টারপাড়া ও আকন্দপাড়ার মানুষ রয়েছে ভাঙন আতঙ্কে। সাদুল্লাপুর উপজেলার রসূলপুর ইউনিয়নের প্রামানিকপাড়া, রহমতপুর, চাঁন্দেরবাজার ও মহিষবান্দিসহ দামোদরপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গামোড়, কুটিপাড়া, ভাঙ্গারদহ ও জামুডাঙ্গা গ্রামের হাজারো পরিবারের দিন কাটছে আতঙ্কে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া দুলা মোল্লা বলেন, এ বাঁধ দিয়ে সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। মালামাল পরিবহণ করে। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও সংস্কার করা হচ্ছে না। মানুষ তো অসহায় হয়ে পড়েছে। গাইবান্ধা জেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক এসএম আহসান হাবীব স্বাধীন বলেন, প্রতি বছরেই নদী ভেঙে ভেঙে এদিকে চলে আসছে। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ি) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ স¤পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এ জনপদকে রক্ষার জন্য প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। আশা করছি শীঘ্রই এ বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদা পাঠানো হবে।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: