বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোই কমেছে বকশীগঞ্জে স্কুলছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগে একজন আটক কাল পূর্বাচলে নবনির্মিত প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ইতালীয় ধর্মযাজক ফাদার মারিনো রিগনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে সরকারের সিন্ডিকেট জড়িত: রিজভী মোংলায় নিজ কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক পিতা গ্রেফতার মাইক্রোবাস ও ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে ৫ জন আহত ‘রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলেই ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন তৈরি’ টিকা নিবন্ধনে বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছর নির্ধারণ মতলবে পানিতে ডুুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু তিস্তা ব্যারেজের ৫২টি গেট খুলে দিলো ভারত, রেড অ্যালার্ট জারি আখাউড়ায় নানা আয়োজনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত দামেস্কে সেনা বাসে বোমা হামলায় নিহত ১৩ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়ে সরকার ফায়দা লুটতে চায়- আ স ম আবদুর রব বাংলাদেশকে ২১৪ কোটি টাকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় বৃহস্পতিবার কলিন পাওয়েলের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক উড্ডয়নকালে আছড়ে পড়লো বিমান, বেঁচে গেছেন সবাই নতুন নামে আসছে ফেসবুক

নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন আজ

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন আজ

বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট আজ। বাংলাদেশের ইতিহাসে ২১ আগস্ট একটি নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন। ২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এ দিনে রাজধানী বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে নজিরবিহীন গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।

ওই ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীরা মানববর্ম রচনা করে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে পারলেও গ্রেনেডের আঘাতে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ মোট ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন।

বাঙালি জাতি শ্রদ্ধাবনচিত্তে ইতিহাসের সেই জঘন্যতম গ্রেনেড হামলার ১৭তম বার্ষিকী আর স্মরণ করছে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে কর্মসূচিতে অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

সেদিন বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রাকমঞ্চে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনার বক্তৃতা শেষ হওয়ার পরপরই তাকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা শুরু হয়। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে থাকে একের পর এক গ্রেনেড। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুহুর্মুহু ১৩টি গ্রেনেড বিস্ফোরণের বীভৎসতায় মুহূর্তেই মানুষের রক্ত-মাংসের স্তুপে পরিণত হয় সমাবেশস্থল। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পরিণত হয় এক মৃত্যুপুরীতে। স্পিন্টারের আঘাতে মানুষের হাত-পাসহ বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে। সভামঞ্চ ট্রাকের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় রক্তাক্ত নিথর দেহ। লাশ আর রক্তে ভেসে যায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। নিহত-আহতদের জুতা-স্যান্ডেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

সেদিন রাজধানীর প্রতিটি হাসপাতালে আহতদের তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ভাগ্যগুণে নারকীয় গ্রেনেড হামলায় অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। ঘাতকদের প্রধান লক্ষ্য শেখ হাসিনা বেঁচে গেছেন দেখে তার গাড়ি লক্ষ্য করে ১২ রাউন্ড গুলি করা হয়। তবে টার্গেট করা গুলি ভেদ করতে পারেনি বঙ্গবন্ধুকন্যাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়ির কাচ। হামলার পরপরই শেখ হাসিনাকে কর্ডন করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় তার তৎকালীন বাসভবন ধানমন্ডির সুধা সদনে। ২১ আগস্টের রক্তাক্ত ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১৬ জন। পরে সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪ জনে।

ওই ভয়াল গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমান ছাড়াও সেদিন নিহত হন ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, হাসিনা মমতাজ রিনা, রিজিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), রতন শিকদার, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মোশতাক আহমেদ, লিটন মুনশি, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, বিল্লাল হোসেন, আব্বাছ উদ্দিন শিকদার, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, নাসির উদ্দিন, আবুল কাসেম, আবুল কালাম আজাদ, আবদুর রহিম, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ আলী, মোতালেব ও সুফিয়া বেগম। হামলায় আওয়ামী লীগের চার শতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়ে শরীরে স্পিন্টার নিয়ে আজও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আহত হয়েছিলেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: