শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে করোনায় আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪৪০ মানিকগঞ্জে নারী হত্যায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার সুন্দরবনের রুপার খাল থেকে মৃত বাঘ উদ্ধার দিনাজপুরের হিলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস শেরপুরের হরিজনরা পাচ্ছেন ছয়তলা ভবন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে  হিরন ও হমিদা এডুকেশনাল ট্রাস্ট দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়িগ্রামে ৬ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস উজিরপুরে ব্রিজ ভেঙে ভেকুসহ লরি খালে ফেনী সমিতি ঢাকার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাকিস্তানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ সেনা নিহত ফেব্রুয়ারিতেই ইউক্রেনে হামলা করতে পারে রাশিয়া : বাইডেন হন্ডুরাসের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট জিওমারা কাস্ত্রো ঘরে ফিরে মুশফিকদের কাছে হারল চট্টগ্রাম ভোলায় বেগুন চাষে কৃষকদের মাঝে সাড়া ব্রাজিলকে রুখে দিল ইকুয়েডর এবারের আইপিএলের সব খেলা হবে এক শহরে! মেসি বিহীন জিতলো আর্জেন্টিনা রাজধানীতে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৫৯ জন গ্রেফতার ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র ভারতী এয়ারটেলে শত কোটি ডলার বিনিয়োগ গুগলের

নিউইয়র্কের ২০ শতাংশ বাংলাদেশিই গরিবের চেয়েও গরিব

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
নিউইয়র্কের ২০ শতাংশ বাংলাদেশিই গরিবের চেয়েও গরিব

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক রাজধানী নিউইয়র্ক মেট্রো এলাকায় ২০ ভাগ বাংলাদেশিই দারিদ্র্য সীমার নীচে বাস করছেন। এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের ২০১৯ সালের সর্বশেষ জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ভয়েস অব আমেরিকা’র।

জরিপে উল্লেখ করা তথ্যের ব্যাপারে ফেডারেশনের কর্মকর্তা মীরা ভ্যানুগোপাল গত রোববার জানান, নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ফিলাডেলফিয়া, কানেকটিকাট অঞ্চলে বসবাসরত এশিয়ান-আমেরিকানদের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছেন বাংলাদেশিরা।

এর আগে ২০১০ সালের জরিপের তুলনায় বাংলাদেশিদের সংখ্যা এখন হাডসন ভ্যালিতে ১৯২%, নিউইয়র্ক সিটিতে ১১২%, নিউজার্সি ও ফিলাডেলফিয়ায় ১৭৬% বাড়লেও দারিদ্র মুক্তির ক্ষেত্রে তেমন হেরফের ঘটেনি।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান আমেরিকানদের মধ্যে ১০ বছরের ব্যবধানে চরম দারিদ্র্যের সংখ্যা ১৫% বেড়েছে। ২০১০ সালে ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার, ২০১৯ সালে তা ২ লাখ ৯০ হাজার হয়েছে। নিউইয়র্ক মেট্রো এলাকায় দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারি এশিয়ানের হার ১০.৪%। ২০১০ সালে তা ছিল ৯.২%।

জরিপের তথ্যে আরও বলা হয়েছে, এশিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে বাংলাদেশির সংখ্যা। তারা কঠোর শ্রম দিচ্ছেন, কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পথে ধাবিত হতে সক্ষম হচ্ছেন না।

সিটি, স্টেট এবং ফেডারেল প্রশাসনে বিদ্যমান অনেক সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে পরিচিত না থাকায় ন্যায্য পারিশ্রমিক দূরের কথা ব্যবসায়িক সুবিধাও হারাচ্ছেন তারা। মূলধারার রাজনীতিতে তারা জোরালো ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে সক্ষম হননি এখনও। ভোটের মাঠেও পিছিয়ে আছেন বাংলাদেশিরা।

নিউইয়র্কে চার সদস্যের একটি পরিবারের বার্ষিক আয় যদি ২৬ হাজার ডলারের কম হয়, তাহলেই তাদেরকে চরম দারিদ্রের সঙ্গে বসবাসরকারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সবকিছুর মুল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কারোরই আয়-রোজগার বাড়েনি। এ অবস্থায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বাফেলো, শিকাগো, আপার ডারবি, হিউস্টন, ডালাসে চলে যাচ্ছে।

অন্যদিকে স্বদেশী আমেজ ও সংস্কৃতিতে দিনাতিপাত করতে অভ্যস্ত হওয়ায় অর্থ সংকটকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন সবাই। জরিপ অনুযায়ী- বাংলাদেশি, চায়নিজ, পাকিস্তানী এবং নেপালি মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশই গরিবের চেয়েও গরিবানা হালে দিনাতিপাত করছেন সেখানে।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: