রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে পৌঁছালো প্রবাসীদের উপহারের ২৫০ ভেন্টিলেটর জয় দিয়ে সফর শেষ করতে চায় টাইগাররা জাপান ৩০ লাখ ডোজেরও বেশি অ্যাস্ট্রাজেনিকা টিকা পাঠাবে : মোমেন ২১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে সংক্রমণে ফের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যুতে ইন্দোনেশিয়া দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ১৯৫, শনাক্ত ৬৭৮০ গোপালগঞ্জে লকডাউন কার্যকর করতে জেলা তথ্য অফিসের পথপ্রচার অব্যাহত গোপালগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালত ৫ টি দোকানকে জরিমানা করেছে আইসিইউ না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে করোনা রোগীদের দেশে পৌঁছালো জাপানের উপহারের আড়াই লাখ টিকা অনিশ্চয়তায় প্রতিটি দিন কাটায় জাহানারা বেগম ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ১০৪ জন হাসপাতালে চিরনিদ্রায় শায়িত ফকির আলমগীর হানা দিতে পারে করোনা’র নতুন ভ্যারিয়েন্ট যেসব শর্তে খোলা থাকবে বীমা অফিস রবিবার থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু শোক মাসের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে পালনের সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের ঈদে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার গবাদিপশু কোরবানি করোনা’র সংক্রমণ বাড়লে অবস্থা ভয়ানক হতে পারে: কাদের শহীদ মিনারে ফকির আলমগীরকে শেষ শ্রদ্ধা

দৌলতদিয়া ঘাটে বৃষ্টিতে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা দ্বিগুন

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
দৌলতদিয়া ঘাটে বৃষ্টিতে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা দ্বিগুন

রাত পোহালেই ঈদ। ঘরমুখো হচ্ছে কর্মজীবি সাধারণ মানুষ। মহাসড়ের যানজট থাকায় দুর্ভোগের শিকার হয়ে ঘরে ফিরছে সাধারণ মানুষ। তবে সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগের মাত্রা দ্বিগুন হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে ও ঘরমুখো মানুষের সাথে কথা বলে এমনি চিত্র দেখা ও জানা যায়।

এদিকে টানা বৃষ্টির মধ্যে অনেক যাত্রী মোটরবাইক ও গণপরিবহনে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আবার অনেক যাত্রী বিভিন্ন হোটেল ও দোকানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তবে দৌলতদিয়া পারে পর্যাপ্ত পরিমান গণপরিবহন থাকার কারণে ঘরমুখো যাত্রীরা নদী পার হয়ে এসে সহজে গৌন্তব্য স্থানে যেতে পারছেন।

এ সময় কথা হয় ফরিদপুর গামী শামসুর নাহার নামের এক নারীর সাথে। তিনি বলেন, ঈদে কষ্ট জানি। তবে এতটা কষ্ট হবে কখনও বুঝতে পারি নাই। বৃষ্টিতে সন্তান নিয়ে সম্পন্ন ভিজে গেছি। তিনি আরও বলেন, এত কষ্ট হবে জানলে ঢাকায় থেকে আসতাম না।

কথা হয় গোপালগঞ্জ গামী সুবর্ণা আজমীর নামের এক ব্যক্তি সাথে তিনি বলেন, কষ্ট হবে ভেবে জেনেও ঢাকা থেকে এসেছি। কিন্ত বৃষ্টিতে ভিজতে হবে এটাতো ভাবি নাই। এখন বৃষ্টিতে সারা শরীর ভিজে গেছে। সাথে থাকা শিশু বাচ্চাও ভিজে গেছে। এই ভিজা শরীর নিয়ে গোপালগঞ্জ যেতে হবে। জানি না, কি হয়।

করিব হোসাইন নামের এক যাত্রী বলেন, পাটুরিয়া ঘাট থেকে ভিজতে শুরু করেছি। এখনও বৃষ্টিতে ভিজতে হচ্ছে। আরও কত ভিজতে হবে কে জানে। তিনি বলেন, ভিজা শরীর নিয়ে আরও কত সময় পর বাড়িতে যেতে পারব। এটা সঠিক বলতেও পারছি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ