মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবশেষে এসপি’র হস্তক্ষেপে থানায় মামলা! যশোরে চোরাই ইজিবাইকসহ আটক ৪ স্বাধীনতাবিরোধী চক্রই দেশের সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য দায়ী: ইনু মানিকগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ডিমলায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর তিস্তা নদী থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দার চেষ্টা বিএনপি’রঃ নানক বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন ইয়েন অনুদান দিচ্ছে জাপান এ মাসে প্রবাসী আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়ালো জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ডের আবেদনের সময় বাড়লো ভোলাহাটে ভেজাল আইসক্রীম কারখানায় র‌্যাবের অভিযান ৫৯ বিজিবি’র শিয়ালমারা সীমান্তে অভিযান ॥ ফেন্সিডিলসহ আটক ১ ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৯০ জন রোগী ভর্তি অপারেশন শেষে আইসিইউতে খালেদা জিয়া উমরাহ পালনে আর ১৪ দিনের অপেক্ষা নয় ভারতের কেরালা রাজ্যে বন্যায় প্রাণহানিতে মোমেনের শোক বহিস্কৃত নেতাকে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ রৌমারীতে সার সংকটে কৃষক বিপাকে মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১, আহত ২

ঢাকার যেসব স্থানে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
দেশে আরও ২৪১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসাবো ও গোড়ান এলাকায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রবিবার (২২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় মৌসুম এডিস সার্ভে ২০২১ এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে আয়োজিত জরিপ প্রকাশের ফলাফল অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কোনও এলাকায় এডিস মশার ঘনত্ব পরিমাপের একক ব্রুটো ইনডেক্স ২০ এর বেশি হলেই তাকে ঝুঁকিপূর্ণ উপস্থিতি বলা যায়। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১০টি ওয়ার্ডের ১৯টি এলাকার ব্রুটো ইনডেক্স ৪০ এর বেশি পাওয়া গেছে। দুই সিটি করপোরেশনের ৫৬টি এলাকায় ব্রুটো ইনডেক্স ছিল ২০ বা তার বেশি।

প্রতিবেদনের দেখা যায়, উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন এলাকায় ডেঙ্গু মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। সূচক (বিআই) অনুযায়ী ৫৬ দশমিক সাত শতাংশ। এরপরে ঝুঁকিতে রয়েছে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও নিকুঞ্জ; ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কল্যাণপুর ও দারুসসালাম; ১৪ নম্বরের মিরপুর-১০ নম্বর ও কাজীপাড়া; ২০ নম্বরের মহাখালী ও নিকেতন এবং ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের আফতাব নগর ও মেরুল বাড্ডা।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবো ও গোড়ান এলাকায় মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। সূচক (বিআই) অনুযায়ী ৭৩ দশমিক তিন শতাংশ। এরপরে ঝুঁকিতে রয়েছে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের এলিফ্যান্ট রোড ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের আর. কে. মিশন রোড ও টিকাটুলী, ৩ নম্বরের বনশ্রী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিন্টো রোড ও বেইলী রোড ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বংশাল এলাকা।

গত ২৯ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট ১০ দিন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ২০টি টিম ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯৮টি ওয়ার্ডের ১০০টি স্থানে জরিপ পরিচালনা করে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যে দেখা গেছে, গত বছরের চেয়ে এবছর মশার উপস্থিতি বেশি। এবছর ডিএসসিসি’র ৩০টি এবং ডিএনসিসি’র ২৬টি এলাকার ব্রুটো ইনডেক্স ২০ এর বেশি পাওয়া গেছে। ২০২০ সালের জরিপে ডিএসসিসি’র ১৭টি এবং ডিএসসিসি’র ৯টি এলাকার ব্রুটো ইনডেক্স ২০ এর বেশি পাওয়া গিয়েছিলো।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: