মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবশেষে এসপি’র হস্তক্ষেপে থানায় মামলা! যশোরে চোরাই ইজিবাইকসহ আটক ৪ স্বাধীনতাবিরোধী চক্রই দেশের সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য দায়ী: ইনু মানিকগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন চকরিয়ায় পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতার ডিমলায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর তিস্তা নদী থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দার চেষ্টা বিএনপি’রঃ নানক বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন ইয়েন অনুদান দিচ্ছে জাপান এ মাসে প্রবাসী আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়ালো জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ডের আবেদনের সময় বাড়লো ভোলাহাটে ভেজাল আইসক্রীম কারখানায় র‌্যাবের অভিযান ৫৯ বিজিবি’র শিয়ালমারা সীমান্তে অভিযান ॥ ফেন্সিডিলসহ আটক ১ ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১৯০ জন রোগী ভর্তি অপারেশন শেষে আইসিইউতে খালেদা জিয়া উমরাহ পালনে আর ১৪ দিনের অপেক্ষা নয় ভারতের কেরালা রাজ্যে বন্যায় প্রাণহানিতে মোমেনের শোক বহিস্কৃত নেতাকে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ রৌমারীতে সার সংকটে কৃষক বিপাকে মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১, আহত ২

টুইন টাওয়ারে হামলার সঙ্গে লাদেনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই: তালেবান

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
টুইন টাওয়ারে হামলার সঙ্গে লাদেনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই: তালেবান

টুইন টাওয়ারে ৯/১১’র সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে ওসামা বিন লাদেনের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই বলে জানিয়েছে তালেবানের এক মুখপাত্র।

তিনি বলেন, ‘ওই হামলায় বিন লাদেনের জড়িত থাকার অনেক তথ্য-প্রমাণ আছে বলে বিভিন্ন সময় দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিমান ছিনতাই করে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে হামলা চালানো হয়।’

এনবিসি নিউজের রিচার্ড অ্যাঞ্জেলকে আফগানিস্তান থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এমন দাবি করেন।

এক প্রশ্নের জাবাবে মুজাহিদ বলেন, ওসামা বিন লাদেন যখন আমেরিকার জন্য ইস্যু হয়ে উঠেছিলেন, তখন তিনি আফগানিস্তানে ছিলেন। যদিও ৯/১১’র হামলার সঙ্গে তার জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ নেই। আর এখন আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, আফগানিস্তানের মাটি কারও বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। পরে অ্যাঞ্জেল বলেন, তাহলে মনে হচ্ছে, এত বছর পরও আপনারা দায় নিচ্ছেন না।

মুজাহিদ বলেন, কোনও প্রমাণ নেই। ২০ বছর ধরে যুদ্ধের পরও তার জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ পাইনি আমরা। এই যুদ্ধের কোনও যুক্তি ছিল না। এটা ছিল যুদ্ধের অজুহাত। ২০০৪ সালে প্রকাশ পাওয়া একটি অডিও বার্তায় বিন লাদেনকে বলতে শোনায় যায়, তিনি ওই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার নির্দেশে ১৯ জন ছিনতাইকারী যুক্তরাষ্ট্রের চারটি বাণিজ্যিক বিমান ছিনতাই করে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার টাওয়ারে এবং পেন্টাগনে হামলা চালায়। চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়।

এর পর ২০০১ সালে আফগানিস্তানে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। বলা হয় এ ঘটনায় ওসামা বিন লাদেনকে অভিযুক্ত করা হয়।

কিন্তু তালেবানরা আল-কায়েদা নেতাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এরপর বিন লাদেন পাকিস্তানে পালিয়ে যান। ২০১১ সালের ১ মে তাকে হত্যা করে নেভি সিলের সদস্যরা।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: