বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুমকিতে ২শ’ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ দৌলতপুরে ৯ ইটভাটায় ২৯ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় কুমিল্লার কাছে ধরাশায়ী সাকিব-গেইলদের বরিশাল ফেনীতে ছাত্রদলের প্রতিকী অনশন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি ঝিনাইগাতীতে অজগর সাপ উদ্ধার নাজিরপুরে ছাত্রদলের প্রতীকী অনশন ফেনীতে মাদকের মামলায় ২ নারীর যাবজ্জীবন বকশীগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা ডাউনিং স্ট্রিটের পার্টি তদন্ত করছে ব্রিটিশ পুলিশ ভোলাহাটে সমবায় কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ভোলাহাটে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় আটোয়ারীতে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতার শীতবস্ত্র বিতরণ মানিকগঞ্জ যুবলীগের উদ্যোগে শীর্তাতদের মাঝে কম্বল বিতরণ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে সভাপতি বাদশা ভাঙ্গুড়ায় মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা শিবগঞ্জে মাদ্রাসার সহকারী সুপার ৫দিন ধরে নিখোঁজ রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

জামালপুরে চাপ বেড়েছে শিশু রোগীর, মেঝেতে রেখে চিকিৎসা

জামালপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চাপ বেড়েছে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশু রোগীর। এ হাসপাতালে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশু রোগীর। শিশু ওয়ার্ডে ২৪টি শয্যা থাকলেও বর্তমানে প্রায় দেড় শতাধিক শিশু এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের প্রতিটি শয্যা, মেঝে এবং বারান্দায় শিশু রোগী ও স্বজনদের চাপ সামলাতে ডাক্তার ও নার্সদের রীতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে। অধিকাংশ শিশুই ঠান্ডা, জ্বর, কাশি আর শ্বাস কষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সেলিম মৃধা।
জামালপুর পৌর শহরের শেখের ভিটা এলাকার আঁখি বেগম জানান, তার দেড় বছর বয়সী সন্তান নাফি গত দু’দিন ধরে ঠান্ডা জনিত শ্বাস কষ্ট ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তিনি সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন।

জেলার মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ এলাকার বিলকিস বেগম, সরিষাবাড়ী এলাকার সাজেদা বেগম, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী সানন্দবাড়ী এলাকার রেজিয়া বেগম, সদর উপজেলার দিগপাইত এলাকার মিম আক্তার জানান প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট আর তীব্র জ্বর নিয়ে তারা গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে তাদের সন্তানদের চিকিৎসা করাচ্ছেন। রোগীর চাপের কারনে ডাক্তার ও নার্সদের রীতিমত হিমসিম খেতে হচ্ছে বলেও তারা জানান।
হাসপাতালে ভর্তি রোগীর অভিবাবকরা জানান, হাসপাতাল থেকে ওষুধ সরবরাহ করা হলেও বাহির থেকেও তাদেরকে কিছু কিছু ওষুধ ক্রয় করতে হচ্ছে। হঠাৎ করে এতো রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় হতভম্ভ হয়ে গেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে আইসিইও (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) না থাকায় সদ্য ভূমিষ্ঠ গুরুতর অসুস্থ শিশুদেরকে বাধ্য হয়েই উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
হাসপাতালটির চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাজুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনেই শিশুদের ঠান্ডা জনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, গত দেড় মাস ধরেই হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ বেড়েছে। আগামী দু’এক মাস এ চাপ আরো থাকবে বলেও তিনি জানান।
হাসপাতালটির সহকারী পরিচালক ডা. মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সোহান জানান, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালটি ২৫০ শয্যা হাসপাতাল হলেও হাসপাতালের অর্ন্তঃবিভাগে প্রতিদিনই পাঁচ’শ থেকে ছয়’শ রোগী আর বর্হিঃবিভাগে ১১’শ থেকে ১২’শ রোগীকে স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে। করোনার প্রকোপ কমে আসায় সামান্য অসুস্থ রোগীরাও এখন চিকিৎসা সেবা নিতে হাসপাতালে ছুটে আসছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন এতো রোগীর চাপ সামাল দিতে ডাক্তার ও নার্সদেরকে বেশ সমস্যায় পরতে হচ্ছে। তবুও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে আমাদের চিকিৎসকরা আ-প্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: