শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে করোনায় আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪৪০ মানিকগঞ্জে নারী হত্যায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার সুন্দরবনের রুপার খাল থেকে মৃত বাঘ উদ্ধার দিনাজপুরের হিলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস শেরপুরের হরিজনরা পাচ্ছেন ছয়তলা ভবন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে  হিরন ও হমিদা এডুকেশনাল ট্রাস্ট দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়িগ্রামে ৬ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস উজিরপুরে ব্রিজ ভেঙে ভেকুসহ লরি খালে ফেনী সমিতি ঢাকার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাকিস্তানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ সেনা নিহত ফেব্রুয়ারিতেই ইউক্রেনে হামলা করতে পারে রাশিয়া : বাইডেন হন্ডুরাসের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট জিওমারা কাস্ত্রো ঘরে ফিরে মুশফিকদের কাছে হারল চট্টগ্রাম ভোলায় বেগুন চাষে কৃষকদের মাঝে সাড়া ব্রাজিলকে রুখে দিল ইকুয়েডর এবারের আইপিএলের সব খেলা হবে এক শহরে! মেসি বিহীন জিতলো আর্জেন্টিনা রাজধানীতে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৫৯ জন গ্রেফতার ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র ভারতী এয়ারটেলে শত কোটি ডলার বিনিয়োগ গুগলের

চকরিয়ায় পুলিশ পরিদর্শককে ফাঁসাতে অপচেষ্টা

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সীমানা বিরোধের জেরে সৃষ্ট উভয় পক্ষের মারামারির ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিমাংসায় ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগে এক সাহসী পুলিশ পরিদর্শককে ফাঁসাতে উঠেপড়ে লেগেছে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী।
তৎকালীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে সহকারী পুলিশ সুপার বরাবর আবুল বশর নামক এক ব্যাক্তি অন্যের প্ররোচনায় না বুঝে মিথ্যা অভিযোগ করেন বলে জানা যায়। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা, মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ পরিদর্শক মাহতাবুর রহমান।
বর্তমানে চকরিয়া মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক মাহতাবুর রহমান একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি মাগুরায় পুলিশের ডিবিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় দুই বার সাহসী পুলিশ অফিসার হিসেবে পুরুষ্কৃত হন।
চকরিয়া বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা বিবিরখিল গ্রামের শফি উল্লাহর ছেলে আবুল বশর গত ৩১ মার্চ সীমানা বিরোধের জের ধরে তার ও আলমগীরের পরিবারের মধ্য সৃষ্ট মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষের কয়েকজন কম বেশি আহত হয়।এ ঘটনায় আবুল বশর বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।এটি তদন্ত দেয়া হয় হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক মাহতাবুর রহমানকে। তদন্তের এক পর্যায়ে মারামারির ঘটনায় আবুল বশর পরিবার আহত হয়ে আর্থিকভাবে কিছুটা ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে আপোষ মিমাংসার জন্য বিবাদী পক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১২ হাজার টাকা জামানত গ্রহণ করেন বিচার মিমাংসার কাজে নিয়োজিত বিচারক দারুসসালাম রফিক, মোঃ সামসুদ্দিন, সাহাদত হোসেন সহ কয়েকজন বিচারক। ঘটনার কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও অদ্যবদি বিচারকগণ ওই ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ না করে কালক্ষেপন করতে থাকে বলে অভিযোগ আবুল বশরের।
এ বিষয়ে বিচারক দারুসসালাম রফিক জানান, ক্ষতিপূরণের টাকাগুলো আমার কাছে জমা আছে। সীমানা যেহেতু নির্ধারণ হয় নাই,সেহেতু বিবাদী আলমগীরের অভিযোগের ভিত্তিতে টাকা গুলো পরিশোধ করা হয়নি বাদীকে। শালিসি বৈঠকে সীমানা নির্ধারণ হওয়ার পর বাদী ক্ষতিপূরণের টাকা পাবে বলে উভয়ের সম্মতিতে ধার্য্য করা হয়। বিষয়টি চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করলে,তিনি উভয় পক্ষের স্বাক্ষর সহ টাকাগুলো ফেরত দিতে আইসির মাধ্যমে বিচারকদের নির্দেশ দেন।
চকরিয়া সার্কেলের এএসপি মো. তফিকুল আলম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আইসি সহ উভয়ই পক্ষকে ডেকে, তাদের সাথে কথা বলে আইসির হাতে কোনধরনের টাকা জমা দেওয়া হয়নি তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। সীমানা বিরোধ সামাধান হলে, জরিমানা বাবদ ধার্য্যকৃত জমা টাকাগুলো বাদী আবুল বশরকে যথাযথ ভাবে বুঝিয়ে দিতে তিনি বিচারকদের নির্দেশ দেন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: