রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে আরও ২৪১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী আমাদের হুমকি দিয়েছিল: ডেভিড হোয়াইট তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ : তথ্যমন্ত্রী আরও তিন শাখা উদ্বোধন হলো প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের খাদে পড়ল বাস ৩০ যাত্রী নিয়ে সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায় : মির্জা ফখরুল দেশে করোনায় শনাক্ত নামল ছয় শতাংশের নিচে সামঞ্জস্যপূর্ণ সাজার চর্চা নিশ্চিতে নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল নিজ চার সন্তানকে বিষ খাইয়ে, আগুন পুড়ে আত্মহত্যাচেষ্টা মায়ের! মামলায় ‘পলাতক’, অথচ স্কুলের বেতন তুলছেন শিক্ষক রাণীশংকৈলে বীরঙ্গনা ঐক্য সংঘের সমাবেশ ইঁদুর মারার বিষকে চকলেট ভেবে খেয়ে শিশুর প্রাণ গেল বিয়ে বাড়িতে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বেঁড়া দিয়ে চাষাবাদ লোকালয়ে আসা হরিণ বনে ফেরত বাংলাদেশ চাইলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ আগামীকাল দেবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন, ঝুঁকিতে ৬ কেন্দ্র আত্রাইয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মিত হলো দৃষ্টিনন্দন শিশুপার্ক ভোলায় গ্রাহকদের হাজার কোটি টাকা নিয়ে উধাও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কারাগারে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
কারাগারে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট
কারাগারে বায়োমেট্রিক চালুর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

হাইকোর্ট কারাগারে প্রকৃত আসামিকে চিহ্নিত করতে ক্রমান্বয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

আজ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সেই সঙ্গে নাশকতার মামলায় ভুল আসামি জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তিনটি নির্দেশনা দিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সব থানায় আসামির হাতের আঙুল ও তালুর ছাপ, চোখের মণি, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন।

২. গ্রেপ্তারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি (Mugsgot photographs) ধারণ ও কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে (integrated ) সংরক্ষণ।

৩. দেশের সব কারাগারে আঙুল ও হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণির সংরক্ষণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ সিস্টেম চালু করা।

এদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে গত সপ্তাহে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে নাশকতার অভিযোগে করা মামলায় প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর বসুরহাটের মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নয় মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

গত বছরের ১০ মার্চ ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একই বেঞ্চের এক আদেশে জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

সেই সঙ্গে নোয়াখালীর জহির উদ্দিন ওই মামলার প্রকৃত আসামি কি না, তা তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নয়। প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, রাজধানীর খিলগাঁও থানায় ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল দায়ের হওয়া মামলায় পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

পরে ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের জামিন পেয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। তিনি জহির উদ্দিন নামেই আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন।

এদিকে, পুলিশ তদন্ত শেষে জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। এরপর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ