সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিবগঞ্জে ৩০ শতাংশ সিলেবাসে পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল ‘নিষিদ্ধ’ সিনেমা দেখায় এক শিক্ষার্থী ১৪ বছরের কারাদণ্ড ওমিক্রন মোকাবিলায় দেশের সীমান্ত বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা রোগীর মৃত্যুর করনে হাসপাতাল পরিচালকের ৩বছর কারাদণ্ড ডামুড্যায় জাতীয় বীর আব্দুর রাজ্জাক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ‘ওমিক্রন’ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে আহসানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বর্ধিত সভা টঙ্গীতে গ্রাহক ও ঠিকাদার ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন ফেনীর ১০জন শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কৃত হলেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী চোরের নিকট থেকে উদ্ধার হওয়া গরু লালন-পালন করছে পুলিশ বাগেরহাটে ক্লিনিক মালিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : উপকূলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত দেশে করোনায় মৃতেৃর সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়াল তিন সন্তান জন্ম দিয়ে বিপদে পড়া ববিতার পাশে ইউএনও আইন মন্ত্রীর প্রয়াত পিতা-মাতার স্মরণে দোয়া মাহফিল ডিমলায় প্রতিবন্ধী দিবসে আর্থিক সহায়তা প্রদান ডেঙ্গুতে আরও ৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি

কর্টুন তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করছে শিল্পি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
কর্টুন তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করছে শিল্পি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সাঘাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাথালিয়া গ্রামের আমিন মিয়ার স্ত্রী শিল্পি বেগম সাধারণ হাতে অসাধারণ মিষ্টির কর্টুন তৈরী করে জীবিকা নির্বাহ করছে। সাঘাটা উপজেলায় এক নামে যাকে চেনেন, সে হলো কার্টন আপা শিল্পি। পিত্রালয়ে টাকার অভাবে তিনি স্কুলের গন্ডি পার হতে পারেননি। স্কুলের বই খাতা ফেলে যাকে যেতে হয়েছিল স্বামীর ঘরে। স্বামী অসুস্থ হওয়ায় নিতে হয় সংসারের দায়িত্ব।

২০০৩ সালে নওগাঁ জেলায় বেড়াতে গিয়ে একজনের কার্টন তৈরি করা দেখে তার মনে স্বপ্ন জাগে, সে যদি পারে আমি পারব না কেন। বাড়িতে এসে শিল্পি শপিং নামে এ ব্যবসা শুরু করেন। সাঘাটা উপজেলার হাট-বাজারে পায়ে হেঁটে ঘুরে হোটেল, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রিম অর্ডার নেন। বগুড়ার করতোয়া পেপার হাউজ থেকে মালামাল নিয়ে সাথালিয়া নিজ বাড়িতে আসেন। রাতে হাতের কাজ করে সকালে তৈরি কাগজের কাটুনগুলো স্বামী-স্ত্রী মিলে ভ্যান যোগে দোকানগুলোতে পৌঁছে দেন। দিনে ৩শত থেকে ৪শত টাকা আয় করে। তা দিয়েই চলে তাদের সংসার।

প্রথম ছেলে আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্নাস (বাংলা) বিভাগে লেখা পড়া করেন। অপর ছেলে সোহানুর রহমান সাঘাটা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্র। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন তিনি। যমুনা নদী ভাঙনে জমি বিলীন হয়েছে। ৫ শতাংশ জমির উপর বসত ঘড় উঠিয়ে কোনোমতে বসবাস করছেন। যে কোন সময় নদী গিলে খেতে পারে তার ভিটাবাড়ী এ আতঙ্কে দিন কাটছে তার। লকডাউনে কিভাবে সংসার চলবে এ দুশ্চিন্তা তার। তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়েছেন। কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। ছেলের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছেন না। শিল্পি বেগম বলেন, সরকার এবং বিত্তবান কেউ যদি আর্থিক সহযোগিতা করতো তাহলে নারীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টির কাজ করতে পারতেন তিনি।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: