রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিবগঞ্জে ৩০ শতাংশ সিলেবাসে পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন মোংলা বন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল ‘নিষিদ্ধ’ সিনেমা দেখায় এক শিক্ষার্থী ১৪ বছরের কারাদণ্ড ওমিক্রন মোকাবিলায় দেশের সীমান্ত বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা রোগীর মৃত্যুর করনে হাসপাতাল পরিচালকের ৩বছর কারাদণ্ড ডামুড্যায় জাতীয় বীর আব্দুর রাজ্জাক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ‘ওমিক্রন’ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে আহসানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বর্ধিত সভা টঙ্গীতে গ্রাহক ও ঠিকাদার ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন ফেনীর ১০জন শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কৃত হলেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী চোরের নিকট থেকে উদ্ধার হওয়া গরু লালন-পালন করছে পুলিশ বাগেরহাটে ক্লিনিক মালিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : উপকূলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত দেশে করোনায় মৃতেৃর সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়াল তিন সন্তান জন্ম দিয়ে বিপদে পড়া ববিতার পাশে ইউএনও আইন মন্ত্রীর প্রয়াত পিতা-মাতার স্মরণে দোয়া মাহফিল ডিমলায় প্রতিবন্ধী দিবসে আর্থিক সহায়তা প্রদান ডেঙ্গুতে আরও ৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি

করোনায় গেল আরও ১৮৭ প্রাণ

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
করোনায় গেল আরও ১৮৭ প্রাণ

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস সারাদেশে আরও ১৮৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭ হাজার ৪৬৫ জনে।

একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১২ হাজার ১৪৮ জন। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮৩ হাজার ৯২২ জনে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে, ১৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ২২৬ জনের মৃত্যু হয়। বুধবার ২১০ জন, মঙ্গলবার ২০৩, সোমবার ২২০ ও রোববার রেকর্ড ২৩০ জন মারা যান। তার আগে ১০ জুলাই (শনিবার) ১৮৫, ৯ জুলাই (শুক্রবার) ২১২ ও ৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। এদিন মৃত্যু হয় ২০১ জনের।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ; প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রথম মৃত্যুর আড়াই মাস পর গত বছরের ১০ জুন মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়ায়। এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ অগাস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা।

এরপর কমে আসে দৈনিক মৃত্যু। ৪ নভেম্বর ৬ হাজার, ১২ ডিসেম্বর ৭ হাজারের ঘর ছাড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি ৮ হাজার এবং ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়ায়।

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর ১৫ দিনেই এক হাজার কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু ঘটলে গত ১৫ এপ্রিল মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর পরের এক হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটাতে মাত্র দশ দিন সময় নেয় করোনাভাইরাস; মোট মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায় ২৫ এপ্রিল।

তার ১৬ দিন পর ১১ মে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার এক মাস পর ১১ জুন তা ১৩ হাজার ছাড়িয়েছিল। এর ১৫ দিন পর ২৬ জুন এই সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ৪ জুলাই ১৫ হাজার ছাড়ায় মৃত্যু। মাত্র ছয় দিন পরে গত ১০ জুলাই মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়ায়। গত ১৪ জুলাই এ সংখ্যা ১৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় ২২ জুন থেকে ঢাকাকে সারা দেশ থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই প্রচেষ্টায় ঢাকার আশপাশের চারটি জেলাসহ মোট সাতটি জেলায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের চলাচল ও কার্যক্রম ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

তবে এরপরও করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ২৮ জুন থেকে সারা দেশে সব গণপরিবহন ও মার্কেট-শপিং মল বন্ধ করা হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন, বন্ধ রয়েছে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ঈদ উপলক্ষে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দেয় সরকার।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: