শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে করোনায় আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪৪০ মানিকগঞ্জে নারী হত্যায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার সুন্দরবনের রুপার খাল থেকে মৃত বাঘ উদ্ধার দিনাজপুরের হিলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস শেরপুরের হরিজনরা পাচ্ছেন ছয়তলা ভবন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে  হিরন ও হমিদা এডুকেশনাল ট্রাস্ট দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়িগ্রামে ৬ দশমিক ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস উজিরপুরে ব্রিজ ভেঙে ভেকুসহ লরি খালে ফেনী সমিতি ঢাকার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাকিস্তানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১০ সেনা নিহত ফেব্রুয়ারিতেই ইউক্রেনে হামলা করতে পারে রাশিয়া : বাইডেন হন্ডুরাসের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট জিওমারা কাস্ত্রো ঘরে ফিরে মুশফিকদের কাছে হারল চট্টগ্রাম ভোলায় বেগুন চাষে কৃষকদের মাঝে সাড়া ব্রাজিলকে রুখে দিল ইকুয়েডর এবারের আইপিএলের সব খেলা হবে এক শহরে! মেসি বিহীন জিতলো আর্জেন্টিনা রাজধানীতে ইয়াবা-হেরোইনসহ ৫৯ জন গ্রেফতার ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র ভারতী এয়ারটেলে শত কোটি ডলার বিনিয়োগ গুগলের

কমেছে করোনা, হোটেল রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় ফিরেছে স্বস্তি

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

সম্প্রতি করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় এবং স্কুল কলেজসহ সব ধরনের পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল, রেস্টুরেন্ট খুলে দেওয়ায় রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রায় দুই বছরে দফায় দফায় লকডাউনে মানিকগঞ্জের হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন ব্যবসায়ীরা। লকডাউনের সময়েও ব্যবসায়ীদের হোটেল-রেস্টুরেন্টের ভাড়া ও স্টাফদের বেতন পরিশোধ করতে হয়েছে। অনেক হোটেল ব্যবসায়ী খরচের ভার বহন করতে না পেরে স্টাফ ছাটাইও করেছেন। ফলে হোটেল রেস্টুরেন্টগুলোর স্টাফরাও মানবেতর জীবন যাপন করেছেন। তবে করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় হোটেল রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় স্বস্তি ফিরেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বাসস্ট্যান্ড, দুধবাজার, কোর্ট চত্ত্বরে হোটেলগুলো জমজমাট। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত স্বাভাবিক সময়ের মতো বেচাকেনা হচ্ছে। এছাড়া রেস্টুরেন্ট পাড়া হিসেবে খ্যাত বেউথা এলাকায় রেস্টুরেন্টগুলোতে প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ভ্রমণপিপাসু লোকজনের আনাগোনা আগের তুলনায় বেড়েছে।

বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাজ হোটেল ও রেস্টুরেন্টের মালিক শিশির সাহা বলেন, দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার আগে ব্যবসা ভাল ছিল। করোনার ধাক্কায় ভাড়া ও কর্মচারীর বেতনসহ অন্যান্ন খরচ হয়েছে কিন্তু বিক্রি ছিল বন্ধ,তাই লোকসানে পড়ে যাই। তবে বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসায় স্বস্তি ফিরছে ও বিক্রি বেড়েছে।

বেউথা এলাকার গাঙ রেস্টুরেন্টের মালিক আরাফাত হোসেন সুইট বলেন, দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার আগে মালিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে এ ব্যবসা শুরু করি। ব্যবসার শুরুতেই করোনার ধাক্কায় লোকসানে পড়ে যাই। তবে সম্প্রতি করোনার প্রকোপ না থাকায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসায় স্বস্তি ফিরছে।

কোর্ট চত্ত্বরে এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী মামুন মিয়া বলেন, লকডাউনে কোট চত্ত্বরে আদালতের সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ পট্টির হোটেল ব্যবসা কোর্ট খোলা থাকার উপর নির্ভর করে। লকডাউনে কোর্ট বন্ধ থাকলে লোকসানে পড়ে যায়।

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, লকডাউনে যে সকল শ্রমিক বা হোটেলের স্টাফরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তাদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হয়েছে। এখনো এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: