রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরের সালথায় ইমাম বাড়িতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা একনজরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৬ দলের খেলোয়াড় তালিকা অবশেষে নগরীতে নামলো স্বস্তির বৃষ্টি সৌদি জোটের হামলা: ইয়েমেনে নিহত ১৬০ ডেঙ্গুতে চলতি বছর আক্রান্ত ২১ হাজার ২শ ছাড়াল প্রতিদিন টিকা পাবে ৪০ হাজার শিশু ডেঙ্গু আক্রান্ত ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে রাশিয়ার ধাওয়া টেকসই স্যানিটেশন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত প্রয়াসের আহ্বান ‘সরকার সবার জন্য নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর’ ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা সাম্প্রদায়িক সংঘাতের চেষ্টায় আ.লীগের এজেন্টরা জড়িত: ফখরুল দ্রব্যমূল্য থেকে মানুষের চোখ সরাতেই কুমিল্লার ঘটনা: মান্না এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়: সাকি প্রচণ্ড তাপে পুড়ছে দেশের ১৮ অঞ্চল সকালে দলের সঙ্গে যোগ দিলেন সাকিব রুহিয়া থানা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে শহীদ মিনারের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন গাইবান্ধায় বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত অস্ত্রসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব-৫

আফিম থেকেই বছরে আয় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
আফিম থেকেই বছরে আয় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার
আফগানিস্তানে আফিম ব্যবসা

আফগানিস্তানে আফিম ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এবং খনিজ সম্পদ আহরণ থেকে তালেবান গোষ্ঠীর বার্ষিক আয় প্রায় দেড় হাজার কোটি মার্কিন ডলার। কেবল আফিম থেকেই বছরে আয় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার। ইউরোপের মোট চাহিদার ৯৫ ভাগ হেরোইন যোগানদাতাও এই দেশটি। পপি অর্থনীতি বন্ধে তালেবান জোড়ালো ঘোষণা দিলেও বিশ্লেষক বলছেন এসব ফাঁকা বুলি।

৬ লাখ ৫২ হাজার বর্গ কিলোমিটারের আফগানিস্তানে বেশিরভাগ মানুষই জড়িত কৃষিকাজে। গত বছর দেশটির ২ লাখ ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে চলে পপির চাষাবাদ। যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৩৭ ভাগ বেশি।

কথিত আছে, কৃষকদের দিয়ে জোর করেই আফিম চাষ করায় তালেবান। কৃষক আর ছোট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চলে কর আদায়। পরিসংখ্যান বলছে, বৈশ্বিক হেরোইন চাহিদার ৮০ থেকে ৯০ ভাগের যোগানদাতা আফগানিস্তান। কেবল ইউরোপের মোট চাহিদার ৯৫ ভাগ হেরোইন যোগানদাতাও এই দেশটি। মাদক ব্যবসায় রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয় তুরস্ক ও বলকান দেশগুলোকে।

আফগানে ৮শ খনিরও অর্ধেকেই তালেবান নিয়ন্ত্রণে। আর সরকার নিয়ন্ত্রিত খনি থেকেও চাদা আদায় করতো ধর্মীয় উগ্রগোষ্ঠীটি। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে নিকেল, টাংস্টেন, সোনা, মূল্যবান পাথর ও প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন থেকে, তালেবানের আয় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা।

তালেবানের অর্থের উৎস:
বার্ষিক আয়-৩০ কোটি থেকে ১ হাজার ৬শ কোটি মার্কিন ডলার
আফিম থেকে আয়- ৪৬ কোটি মার্কিন ডলার
খনিজ সম্পদ থেকে আয়- ৪৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নথি বলছে, ২০১৮ সালে তালেবানের আনুমানিক সম্পদ ছিলো ৮০ কোটি ডলার। মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি, গত বছর ঐ সম্পদ বেড়ে দাড়ায়, দেড়শ কোটি মার্কিন ডলারে। সপ্তাহখানেক আগে আফগান নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর, পপি অর্থনীতি বন্ধে তালেবান জোড়ালো ঘোষণা দিলেও, বিশ্লেষক বলছেন, এসব ফাঁকা বুলি।

উগ্রবাদ বিরোধী প্রকল্প পরিচালক হানস জ্যাকব শিন্দলার বলেন, তালেবান যতই বলুক তারা আদতে মাদক চাষ আর বানিজ্য বন্ধ করবে না। তাদের উত্থানই হলো এ মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। আফগানিস্তানে অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনে এ বাণিজ্য ছাড়া তাদের বিকল্প নেই।

আফগানিস্তানে মাদক বাণিজ্য বন্ধে এ পর্যন্ত ৮শ৬০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে অধিক লাভের আশায় গম, জাফরানের পরিবর্তে হেরোইন আর আফিম চাষেই বেশি উৎসাহী এ জনপদের ৬০ ভাগ কৃষক।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: