বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লার কাছে ধরাশায়ী সাকিব-গেইলদের বরিশাল ফেনীতে ছাত্রদলের প্রতিকী অনশন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পুলিশের সেবাপ্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি ঝিনাইগাতীতে অজগর সাপ উদ্ধার নাজিরপুরে ছাত্রদলের প্রতীকী অনশন ফেনীতে মাদকের মামলায় ২ নারীর যাবজ্জীবন বকশীগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা ডাউনিং স্ট্রিটের পার্টি তদন্ত করছে ব্রিটিশ পুলিশ ভোলাহাটে সমবায় কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ভোলাহাটে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় আটোয়ারীতে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতার শীতবস্ত্র বিতরণ মানিকগঞ্জ যুবলীগের উদ্যোগে শীর্তাতদের মাঝে কম্বল বিতরণ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে সভাপতি বাদশা ভাঙ্গুড়ায় মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় কিশোরের আত্মহত্যা শিবগঞ্জে মাদ্রাসার সহকারী সুপার ৫দিন ধরে নিখোঁজ রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার গলাচিপায় ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে ২ চোর আটক নিখোঁজ রিচার্ড ও শুভর সন্ধান চায় পরিবার

আখাউড়ায় নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে নাভিশ্বাস

আখাউড়া ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে নাভিশ্বাস ওঠছে সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে সীমিত আয়, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং নিম্নবিত্তের মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত অবস্থা। প্রতিদিনই বাড়ছে প্রতিটি পণ্যের দাম। বাধ্য হয়েই অগ্নিমূল্যে পণ্য কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।
ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিদিনই ভোগ্য পণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কোথাও কারও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। পূর্ব কোনো ঘোষণা ছাড়াই অতিজরুরি নিত্য পণ্যের দাম বাড়ে। অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থাপনায় কারও কোনো নজরদারি নেই।
ফলে পণ্যের উর্ধ্বমূখি মূল্যের আগুনে পুড়ছে সাধারণ মানুষ।
সড়ক বাজার ঘুরে জানা যায়, গত দুই-তিন মাস ধরেই পাইকারি বাজারে সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম উর্ধ্বমূখি। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা। তাছাড়া প্রতি লিটার পাম অয়েল বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা।
অন্যদিকে প্রতিকেজি ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হয় ৬০-৬৫ টাকা এবং মিয়ানমারের ভাল মানের পিয়াজ বিক্রি হয় ৫০-৫৫ টাকা। প্রতিকেজি চায়না রসুন বিক্রি হয় ১১০-১২০ টাকা এবং দেশি রসুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। প্রতি কেজি, দেশী আদা ১০০ টাকা করে বিক্রি হয়। তাছাড়া প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১২০ টাকা। প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হয় ৮৫ টাকা।
প্রতিকেজি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে১০০ টাকা। বড় বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পল্টু পাল বলেন পণ্যের দাম উর্ধ্বমূখি থাকায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত, বাজার ধরে স্থিতিশীলতা খুব জরুরি।

বড় বাজার ঘুরে জানা যায় ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা, প্রতিকেজি গাজর বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, প্রতিকেজি টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা, প্রতিকেজি শিম ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, তিত করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, মুলা, চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁডশ, পটল, করলা ও বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বিভিন্ন শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২০ টাকা। প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকা।
সড়ক বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, সামনে শীত মৌসুম। তাই মৌসুমের আগে কিছু সবজির দাম বাড়ছে। তবে এখন শুস্ক মৌসুম হওয়াতে বিয়ে-সাদী ও সামাজিক অনুষ্ঠান বাড়ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। তাই গত কয়েকদিন ধরে কিছু পণ্যের দাম বাড়ছে। এরই মধ্যে চাহিদার বিপরীতে সরবরাহও কম। তাই দাম বাড়ছে। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সবজিসহ কিছু পণ্যের দাম কমে যাবে।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ের কোন ব্যবস্থা নেই।
এ ব্যপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার জানান নিত্যপণ্য সারা দেশেই কিছুটা উর্ধ্বমূখি আমাদের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে, এখন থেকে আমি এবং আমাদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সপ্তাহে দুইদিন নিত্যপণ্যের বাজার মনিটরিংয়ে যাবো।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: