বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দশ বছরে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘অতিশয় বৃহৎ সংগ্রামের’ জন্য প্রস্তুত হতে বললেন কিম এবার প্রতিবেশী ভারতে ‘ওমিক্রন’ শনাক্ত মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর হামলায় পালাচ্ছে হাজার হাজার বাসিন্দা আগামী তিন দিন বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে- আবহাওয়া অধিদপ্তর কমলো এলপি গ্যাসের দাম অভিবাসীর সংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশ ষষ্ঠ চাঁপাইনবাবগঞ্জে তথ্য অধিকারের গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত অন্ত:সত্তা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড বিশ্বকাপ জয়ীর নেতৃত্বে যুব বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ বহুতল ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মুত্যু যশোরে বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩১ হাজার যশোরে বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১ আফ্রিকাফেরত হোটেল থেকে বেরোলে মালিককে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৬১ মির্জাগঞ্জে পরিক্ষার নামে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ অভয়নগরে গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বাসে দুই যাত্রী অচেতন, ঢামেকে ভর্তি মাদারীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় অবহিতকরণ কমর্শালা গ্রাম পুলিশের মাঝে বাই সাইকেল ও কম্বল বিতরন

অসৎ উদ্দেশ্যেই আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারক কামরুন্নাহার

রিপোর্টারের নাম
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
অসৎ উদ্দেশ্যেই আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারক কামরুন্নাহার

মামলার সকল নথিকে পাশ কাটিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যেই ধর্ষণ মামলার আসামিকে ঢাকার তৎকালীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার জামিন দিয়েছিলেন উল্লেখ করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চের বিচারপতিদের সাক্ষরের পর ৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, স্থগিতাদেশ থাকার পরও অসৎ উদ্দেশ্য ধর্ষণ মামলার আসামি আসলাম শিকদারকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার। তাই সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ মোতাবেক, ফৌজদারি মামলায় তার বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। তাই এখন থেকে তিনি আর দেশের কোনও কোর্টে ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না।

মামলার ঘটনা পর্যালোচনার শেষে রায়ের একটি অংশে মোছা. কামরুন্নাহার কোনও ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেয়ায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর সাবেক বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেন (সিজ) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তলব আদেশে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার পর গত ২২ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা সিজ করার আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা নেয়া যাবে না মর্মে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে আলোচনায় আসেন বিচারক কামরুন্নাহার। এ অভিযোগে তাকে বিচারকাজ থেকে প্রত্যাহার করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। পরে তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।


অন্যান্য সংবাদ
%d bloggers like this:
%d bloggers like this: